Kharaj Mukherjee : বিধ্বস্ত নেপাল থেকে ফিরলেন খরাজ, হড়পা বানের সময় ... ভিডিও করে জানালেন সবটা
অনেক অসুবিধে পের করে অভিনেতা সস্ত্রীক আসেন উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে। সেখান থেকে বিমানে ফিরেছেন কলকাতায়।

পোখরা: নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসের জেরে বিপর্যস্ত জনজীবন। এরই মধ্যে নেপালের পোখরায় আটকে পড়েছিলেন অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়। তাঁর স্ত্রী প্রতিভা মুখোপাধ্যায়ও ছিলেন তাঁর সঙ্গে। দুজনেই অনেক ধকলের পর ফিরে এসেছেন কলকাতায়। ফিরে এসেই অসংখ্য শুভাকাঙ্খীদের দিলেন বার্তা । জানালেন, চিন্তা নেই । তাঁরা ভাল আছেন। অভিনেতা জানান, তাঁরা একটি ছবির শুটিংয়ে পোখরায় গিয়েছিলেন। তখনই নেপালে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় হয়। পোখরা এই বিপর্যয়ে সরাসরি বিপর্যস্ত না হলেও, পুরো দেশটাই এখন সঙ্কটের মধ্যে। অনেক অসুবিধে পের করে অভিনেতা সস্ত্রীক আসেন উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে। সেখান থেকে বিমানে ফিরেছেন কলকাতায়।
সব শুভাকাঙ্খী ও অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, ভবিষ্যতে অনেক ভাল ভাল কাজ তিনি উপহার দেবেন। আগেই অভিনেতার ছেলে তমঘ্ন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা-মা নিরাপদে রয়েছেন এবং বিপদমুক্ত। ২০ অগাস্ট একটি ছবির শ্যুটিংয়ের জন্য নেপালে গিয়েছিলেন খরাজ । সূত্রের খবর, ‘শিকার’-এর শ্যুটিং শেষ হওয়ার পরই নেপালে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি ও ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। হড়পা বান ও ভূমিধসের জেরে একাধিক জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
বিমান পরিষেবা এবং যাতায়াতের সমস্যার কারণে পোখরায় আটকে পড়েন তাঁরা। তারপর গোরক্ষপুর হয়ে ফিরেছেন কলকাতা। নেপালের একাধিক এলাকা এখন হড়পা বান ও ভূমিধসে পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায়। আবারও একটা বিপর্যয়ের আশঙ্কায় তারা। সেই পরিস্থিতিতে অভিনেতাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন অনুরাগীরা। আপাতত খরাজের বার্তা স্বস্তি ফেরাবে অনুরাগীমহলে। প্রবল বৃষ্টি, হড়পা বান এবং ভূমিধসে নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা বিপর্যস্ত। বহু রাস্তা ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত। ব্যাহত হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। একাধিক এলাকায় জল ঢুকে পড়েছে।
নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে ক্রমশই স্পষ্ট হচ্ছে নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভয়াবহতার ছবি। নেপালের সরকারি প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৪৬৯ জনের মৃতদেহ । হাজারের কাছাকাছি মানুষ এখনও নিখোঁজ । সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চিতওয়ান, ধাদিং, রাসুয়া-সহ মোট ৮টি জেলা। প্রথমদিকে ভূমিকম্পের কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে সন্দেহ করা হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তিব্বতের দিকে পাহাড়ি অঞ্চলে বিশাল বরফ ও পাথরের ধসের ফলেই ভয়াবহ জলপ্রবাহ তৈরি হয়। এমন কোনও ঘটনা ফের ঘটবে না তো? আফটারশকের আশঙ্কায় কাঁপছে নেপাল।
Before You Go
Kharaj Mukherjee | বাংলা সিনেমার শ্যুটিংয়ে নেপালের পোখরায় গিয়ে বন্দি অভিনেতা খরাজ






















