কলকাতা: চল্লিশের পর থেকে জীবনের আরেকটা অধ্যায় শুরু হয়। সেটি হল সুস্থ ও সতেজ থাকার। জীবনকে উপলব্ধি ও উপভোগ করার জন্য এর পর অনেকটা সময় বাঁচতে হয়। তাই শরীরের দেখভাল করা এই সময় জরুরি। আর সেই তার জন্য খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বাছবিচার আনতে হবে। কোন কোন খাবার চল্লিশের পর খাওয়া উচিত আর কোন খাবার নয় ? জেনে নেওয়া যাক বিশদে।
চল্লিশের পর কোন কোন খাবার নয় ?
রিফাইনড তেল - রান্নার জন্য আমরা অনেকেই রিফাইনড সাদা তেল ব্যবহার করি। এই তেল স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। কারণ তেলের ভাল ফ্যাট রিফাইন পদ্ধতিতে খারাপ ফ্যাট হয়ে যায়। যা হার্ট ও রক্তের ক্ষতি করে।
রেড মিট - স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাংসকে রেডমিট বলা হয়। মুরগির মাংস বাদ দিলে বেশিরভাগ মাংসই রেড মিট। যা খাওয়া মোটেই উচিত নয়। কারণ এর মধ্যে রয়েছে কোলেস্টেরল ও খারাপ ফ্যাট। দুটোই হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার বা পানীয় - অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার শরীরের জন্য এই বয়সে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এই তালিকায় রয়েছে কোল্ড ড্রিঙ্কস, আইসক্রিম, পেস্ট্রি, কেক ইত্যাদি।
অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট - অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার ওবেসিটিসহ নানা রোগের কারণ। তাই এগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট - অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট যেমন শরীরের জন্য ভাল নয়, তেমনই ক্ষতিকর রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট।
খারাপ ফ্যাট রয়েছে এমন খাবার - খারাপ ফ্যাট রয়েছে এমন খাবারের হার্টের রোগ ও কোলেস্টেরল ডেকে আনে। এই তালিকায় রয়েছে পাম তেলে ভাজা খাবার, চিজ, বাটার, ফাস্ট ফুডের ফ্যাট।
ডিম ও দুধ পরিমিত পরিমাণে - একদিকে যেমন ডিম ও দুধের ক্য়ালসিয়াম শরীরের জন্য জরুরি। অন্যদিকে এর মধ্য়ে থাকা ফ্যাট শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ এই দুটিতেই স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। অতিরিক্ত খেলে কোলেস্টেরল ও হার্টের রোগ হতে পারে।
অ্যালকোহল - অ্যালকোহল অর্থাৎ মদ্যপান বন্ধ করতে হবে। লিভারসহ একাধিক রোগের কারণ হতে পারে অ্যালকোহল। তাই চল্লিশের পর বিদায় জানাতে হবে এই পানীয়কে।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আপনার পছন্দের খবর এবার হোয়াটসঅ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে।
আরও পড়ুন - Health Tips: ঠান্ডা লেগে গলায় ব্যথা, ঘরোয়া কোন উপায়ে সারবে দ্রুত ?