Ayurvedic Remedies For Fever: জ্বর কমাতে অব্যর্থ ভেষজ উপাদানে ভরপুর পতঞ্জলির Fevogrit
Fever Ayurvedic Remedies: আয়ুর্বেদে, জ্বর এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক ভেষজ ব্যবহার করা হচ্ছে। পতঞ্জলি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে 'Fevogrit' নামে একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করেছে।

দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা: মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যখন শরীরের তাপমাত্রা এর চেয়ে বেড়ে যায়, তখন জ্বর হয়েছে ধরে নেওয়া হয়। জ্বর শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, যা মূলত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে হয়। যখন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্য কোনো সংক্রমণ শরীরে প্রবেশ করে, তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় হয়। ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এটি ক্ষতিকারক জীবাণুগুলির বৃদ্ধি হ্রাস করে এবং শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
জ্বর শুধু একটি অসুস্থতা নয়, এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনও সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। কখনও কখনও এটি খুব সামান্য হয় এবং কয়েক দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়। আবার কিছু ক্ষেত্রে এটি গুরুতর রোগের লক্ষণও হতে পারে। জ্বরের (Fever) সঠিক কারণ বুঝে ও তার চিকিৎসা করে কোনও গুরুতর অসুখের সম্ভাবনা রোধ করা যায়।
জ্বরের প্রধান কারণগুলি কী কী?
সংক্রমণ জ্বরের একটি প্রধান কারণ। ভাইরাস সাধারণ সর্দি, কাশি, ফ্লু ইত্যাদির কারণ হতে পারে। যেখানে ব্যাকটেরিয়া ইউটিআই, টাইফয়েড, টিবি এবং গলার সংক্রমণের কারণ হয়।
ভাইরাল সংক্রমণের মধ্যে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং করোনাভাইরাস-এর মতো রোগ রয়েছে। জ্বর যেগুলির প্রধান লক্ষণ। ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়াতে জ্বরের সঙ্গে, গাঁটে ব্যথা এবং ত্বকে ফুসকুড়ি (Rash) দেখা দিতে পারে।
টিকা দেওয়ার পরেও জ্বর হতে পারে কারণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোনও নতুন ওষুধ বা ভ্যাকসিনের প্রতিক্রিয়া দেখায়। এটি শিশুদের ক্ষেত্রে খুব বেশি দেখা যায়। টিকা দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে হালকা জ্বর হতে পারে।
আর্থ্রাইটিস বা অন্যান্য প্রদাহজনক রোগও জ্বরের কারণ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, অটোইমিউন ডিসঅর্ডারের মতো রোগের কারণেও জ্বর হয়। এর পাশাপাশি গরম পরিবেশে বসবাস করলে বা হিটস্ট্রোকের কারণেও শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে শরীরে কোনো ধরনের প্রদাহ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অ্যালার্জি, বা কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়া।
জ্বরের লক্ষণগুলি কী কী?
শরীরে বেশি গরম অনুভব করা, কাঁপুনি বা শীত করা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা, পেশীতে ব্যথা, অতিরিক্ত ঘাম, গলা শুকিয়ে যাওয়া, খিদে কমে যাওয়া, বিরক্তি বা অলসতা অনুভব - এগুলি জ্বরের লক্ষণ।
জ্বর যত বেশি হবে, এর উপসর্গ তত গুরুতর হতে পারে। জ্বর হলে ছোট শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া দরকার, কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে।
জ্বর মাপার পদ্ধতি কী?
জ্বর মাপার জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়। আজকাল, ডিজিটাল থার্মোমিটার বেশি ব্যবহার করা হয়, যা দিয়ে সহজেই শরীরের তাপমাত্রা মাপা যায়। আগে, পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হত। জিভের নিচে বা বগলের নিচে থার্মোমিটার রেখে জ্বর মাপা হয়।
এখন, নতুন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ইনফ্রারেড থার্মোমিটারও বাজারে পাওয়া যায়। যা কপালে রেখে জ্বর মাপা যেতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা যদি ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের (৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বেশি হয়, তাহলে জ্বর হয়েছে বলে ধরা হয়।
জ্বর হলে কী করবেন?
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং শারীরিক পরিশ্রম কম করুন
- শরীরকে সতেজ রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল, জুস এবং স্যুপ খান
- শরীরকে ঠান্ডা রাখতে হালকা এবং আরামদায়ক পোশাক পরুন
- কপালে ঠান্ডা জলের পট্টি দিতে পারেন
গুরুতর অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ নিন
কিছু ক্ষেত্রে, জ্বর গুরুতর হতে পারে এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। যদি জ্বর ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়, দীর্ঘ সময় ধরে থাকে এবং সহজে না কমে কিংবা শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, বমি, চরম দুর্বলতা দেখা যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আয়ুর্বেদিক সমাধান: পতঞ্জলির 'Fevogrit'
আয়ুর্বেদে, জ্বর এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য শতাব্দী ধরে প্রাকৃতিক ভেষজ ব্যবহার করা হচ্ছে। পতঞ্জলি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে 'Fevogrit' নামে একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করেছে।
'Fevogrit' এর ব্যবহৃত প্রধান ভেষজ উপাদান:
- চিরতা - জ্বর কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক
- গুলঞ্চ - রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী এবং অ্যান্টি-পাইরেটিক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ
- করঞ্জ - প্রদাহ এবং সংক্রমণ কমাতে সহায়ক
- কুটকি - যকৃৎ এবং পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক
- তুলসী - অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ
- গোলাপ - শরীরে শীতলতা প্রদানে সহায়ক
(মনে রাখবেন : এটি একটি স্পনসরড প্রতিবেদন। এবিপি নেটওয়ার্ক প্রাইভেট লিমিটেড এবং/অথবা এবিপি লাইভ এর বিষয়বস্তু এবং/অথবা এখানে প্রকাশিত মতামতকে সমর্থন করে না। সমস্ত তথ্য যেমন আছে তেমনই দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য কোনও চিকিৎসার পরামর্শ বা প্রস্তাব নয়। এই ধরনের কোনও কিছু কেনার আগে একজন বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা/চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। পাঠককে বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।)























