এক্সপ্লোর
আজ সংসদে দ্বিতীয় দফার বাজেট অধিবেশন, অমিতের ইস্তফার দাবি তুলতে পারে কংগ্রেস
উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে হিংসার আবহেই সোমবার সংসদে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার বাজেট অধিবেশন। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রসঙ্গে সোচ্চার হবেন বিরোধীরা।

নয়াদিল্লি: স্বাভাবিক হওয়ার পথে রাজধানী। এরই মধ্যে দিল্লিতে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আটক করা হয়েছে দুজন করে। গোকুলপুরী ও শিববিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও ৪টি মৃতদেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও মৃতদের পরিচয় জানা যায়নি। অন্যদিকে কলকাতায় এসে স্বরাষ্টমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, উস্কানিতে পা না দেওয়ার। উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে হিংসার আবহেই সোমবার সংসদে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার বাজেট অধিবেশন। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রসঙ্গে সোচ্চার হবেন বিরোধীরা। অমিত শাহর ইস্তফার দাবি তুলবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস। সোমবার থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার বাজেট অধিবেশন। উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসা নিয়ে সেখানে সুর চড়াবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করেছেন সনিয়া গাঁধী। এবার সংসদেও একই দাবিতে সরব হবে কংগ্রেস, জানিয়েছেন লোকসভার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তুলব। দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে। আমি মনে করি দাঙ্গাকারী এবং পুলিশ আধিকারিকদের একটি অংশের মধ্যে অবশ্যই কিছুটা যোগসাজোশ ছিল, যে কারণে হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগ হয়েছিল।’ মোদি সরকার অবশ্য উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসার জন্য ‘বিরোধীদের গুজব ছড়ানো’কেই দুষেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজনৈতিক দলগুলির গুজব ছড়ানোতে দিল্লি হিংসার আগুনে ঘি ঢেলেছে। এই দাঙ্গার অন্তর্নিহিত সত্যিটা খুঁজে বার করবে মোদি সরকার। হিংসার ঘটনায় রবিবার রাত পর্যন্ত ২৫৪টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। ধৃত ৯০৩ জন। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লিবাসীর উদ্দেশে কোনওরকম গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। বলেছেন, হিংসা ও সাম্প্রদায়িক উস্কানির ফাঁদে পা দেবেন না। নতুন করে যাতে অশান্তি না ছড়ায়, সেজন্য শাহিনবাগের আন্দোলনস্থলে পুলিশ ও সিআরপিএফ-এর সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে। জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।
Before You Go
Jadavpur University: মেরামত করে ফিরল ঐতিহ্যের এমব্লেম, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি যাদবপুরে

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion




















