এক্সপ্লোর

Ideas Of India: 'বিশ্ব রাজনীতিতে শান্তি নিজে থেকে আসে না' আইডিয়াজ অব ইন্ডিয়া সম্মেলনে বললেন অতিদেব সরকার

প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন এবিপি নেটওয়ার্কের চিফ এডিটর অতিদেব সরকার। তিনি বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে শান্তি নিজে থেকে আসে না।


মুম্বইয়ে শুরু হল এবিপি নেটওয়ার্কস আইডিয়াজ অব ইন্ডিয়া ২০২৬। এই অনুষ্ঠান চলবে শনিবার পর্যন্ত। প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন এবিপি নেটওয়ার্কের চিফ এডিটর অতিদেব সরকার। আইডিয়াজ অব ইন্ডিয়া ২০২৬-এ উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল। অনুষ্ঠানে থাকবেন শ্রেয়া ঘোষাল, শাহরুখ খান, আরমান মালিক প্রমুখরা। 

এবিপি নেটওয়ার্কের চিফ এডিটর অতিদেব সরকার বলেন, "আইডিয়াস অফ ইন্ডিয়ার প্ল্যাটফর্মে আপনাদের স্বাগত। গত এক বছরে বিশ্ব অনেক যুদ্ধ দেখেছে। যুদ্ধ চলছে অনেক মহাদেশে । আমেরিকা যে ‘শুল্ক-যুদ্ধ’ শুরু করেছিল, তাকে  অবৈধ ঘোষণা করেছে সে-দেশের সুপ্রিম কোর্ট। ভারত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। গাজায় এখনও যুদ্ধ পরিস্থিতি রয়েছে এবং ইরানের পরিস্থিতি ভালো নয়। ভেনেজুয়েলায় শাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে, ইরানে উত্তেজনা চলছে এবং ইউক্রেনে যুদ্ধ সমাধানের বিভিন্ন প্রচেষ্টা এখনও সফল হয়নি।"

তিনি আরও বলেন, 'বিশ্ব রাজনীতিতে শান্তি নিজে থেকে আসে না। ২০১৪ সালে, হেনরি কিসিঞ্জার লিখেছিলেন, বিশ্বব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে একটি “সম্মত আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা” প্রয়োজন—অর্থাৎ এমন একটি নিয়মভিত্তিক কাঠামো যেখানে রাষ্ট্রগুলোর আচরণের সীমা নির্ধারিত থাকবে। ক্ষমতার ভারসাম্যের মাধ্যমে তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হবে। অন্যথায় বিশৃঙ্খলার দিকে ধসে পড়বে। '

অতিদেব সরকার বলেন, ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তির পর ইউরোপে যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, তা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং শক্তির ভারসাম্যের নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত ছিল। পরবর্তীকালে এই নীতিগুলো বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বৃহৎ অংশকে পরিচালিত করেছে।  

অতিদেব সরকার বলেন, রাশিয়া আজও ইউরোপের কাছে রহস্য হিসেবে রয়ে গিয়েছে।  তারা একদিকে সবচেয়ে বেশি যুদ্ধ করেছে, আবার একই সঙ্গে কোনও একক দেশকে সমগ্র ইউরোপের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে বাধা দিয়েছে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে অতিদেব সরকারের মত, সেখানে দুই রকম ধারা রয়েছে। একটি হল একটি আদর্শবাদী দৃষ্টিভঙ্গি যারা বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে চায়। অন্যটি হল একটি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি যা জাতীয় স্বার্থ রক্ষা  এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেয়। চিনের দৃষ্টিভঙ্গি আবার আলাদা। তাদের ব্যবস্থা অনুসারে, বিশ্বে এক ধরনের শ্রেণিবিন্যাস থাকা উচিত।  কিসিঞ্জার বিশ্বাস করতেন, বিশ্বকে একটি নতুন এবং স্থিতিশীল ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে যা বাস্তবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, সেই সঙ্গে সব দেশের কাছে গ্রহণযোগ্য। 

চিফ এডিটর অতিদেব সরকার বর্তমান বিশ্ব রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত তুলে ধরেছেন।  মনিকা ডাফি টফটের মতামত উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, "যদি পরিস্থিতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের মতো হয়ে যায়, বিশ্ব একক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার অধীনে না থেকে বিভিন্ন “প্রভাবক্ষেত্র”-এ (spheres of influence) বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্র সরাসরি শাসন না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করবে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চিন নিজেদের প্রভাব বলয় নির্ধারণ করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আধিপত্য বজায় রাখবে। এক্ষেত্রে জন মিয়ারশাইমারের উক্তি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, চিনের উত্থান শান্তিপূর্ণ হবে না। আমেরিকা কখনই এশিয়ায় চিনের আধিপত্য মেনে নেবে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিযোগিতা এবং সংঘাত অনিবার্য। 

তিনি আরও বলেন, "ইয়ান জুয়েতং ( Yan Xuetong )ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে আমেরিকা ও চিন বিশ্বের দুটি প্রধান শক্তিতে পরিণত হবে । কারণ চিন অর্থনীতি, সামরিক এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। মাইকেল বেকলি যুক্তি দেন যে বিশ্বব্যবস্থা বর্তমানে স্থবির অবস্থায় আছে। জনসংখ্যা, উৎপাদন এবং আঞ্চলিক সম্প্রসারণের গতি সীমিত করা হয়েছে, তাই কোনও দেশই বিশ্ব ভারসাম্য সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করার জন্য তড়িঘড়ি করছে না। উৎপাদনশীলতার দিক থেকে এখনও আমেরিকা এগিয়ে রয়েছে।" 

বিশ্বজুড়ে এই অনিশ্চয়তার এই সময়ে ভারতের নীতিনির্ধারকদের সামনে বড় দায়িত্ব এসে পড়েছে। ভারতের অন্যতম বন্ধু  আমেরিকা যেন অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়ছে। এদিকে আবার উপমহাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলিতেও অস্থির অবস্থা; চিনের সঙ্গে বরফ গলার ইঙ্গিত আসছে ঠিকই, কিন্তু এখনও শীতলতা কাটেনি।  এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি, দেশের অভ্যন্তরে জরুরি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা বাড়াচ্ছে। 

অতিদেব সরকার মনে করেন, এই সময়ে ভারতকে অবশ্যই তার জাতীয় স্বার্থের উপর যথেষ্ট মনোনিবেশ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এটি সহজ নয়। বিশ্ব অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে যাচ্ছে। মহামারীর পর মানুষের সঞ্চয় কমে গিয়েছে।  আদানি এবং রিলায়েন্স বাদে, অন্যান্য ভারতীয় কোম্পানিগুলি খুব বেশি বিনিয়োগ করছে না। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান এখনও একটি চ্যালেঞ্জ, এবং দক্ষতারও ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, প্রতিপত্তি নয়, উন্নয়নই প্রকৃত জাতীয় স্বার্থ। 

অতিদেব সরকার বলেন, ভারতকে আগামী দুই দশকে তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার পাশাপাশি দৃঢ় অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। যুদ্ধ করা ভারতের আগ্রহ নয়। আমাদের পণ্য ও পরিষেবা গ্রহণ করছে যে দেশগুলি, তাদের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা- বাণিজ্য বৃদ্ধি করা দরকার। এখানে কর্মসংস্থান তৈরি করতে ইচ্ছুক বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানানো উচিত। তবে, একটি অস্থিতিশীল অঞ্চলে জাতীয় নিরাপত্তা উপেক্ষা করা ঠিক হবে না।  তিনি মনে করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি দেশে মূলধন এবং প্রযুক্তি নিয়ে আসার একটি ভাল সুযোগ। এরফলে কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে হবে।  

অতিদেব সরকারের মতে, ভারতের উচিত তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে ন্যায্য, দৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখা , সেই সঙ্গে শান্তভাব বজায় রাখে। এমনকি বৃহৎ শক্তির সঙ্গেও সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার। কাউকে হুমকি দেওয়া উচিত নয়। যেমনটি চিনা নেতারা একবার তাদের কূটনীতিকদের বলেছিলেন, "শান্ত থাকুন এবং কাজটি সম্পন্ন করুন।" 

এবিপি নেটওয়ার্কের চিফ এডিটর বক্তব্যের শেষে জোর দিয়ে বলেন, এখন দেশকে  সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থকে সর্বাগ্রে স্থান দিতে হবে।

ইংলিশে পুরো বক্তব্য পড়ুন - 

Ladies and gentlemen,

Welcome to Ideas of India 2026.

Last year, we saw humanity’s next frontier.

Since then, mankind has been mired in conflict.

War has visited the subcontinent; the White House has disrupted global trade with tariffs; the US Supreme Court has since struck down the decision; India has negotiated a free trade agreement with the European Union; farm unions in India are opposing a deal with the United States; Gaza still burns; Venezuela has seen regime change; there have been tensions in Iran; and several attempts to resolve the war in Ukraine are yet to bring peace.

Peace is not automatic in global politics.

In 2014, Henry Kissinger argued that the world needed an agreed-upon order, “a set of rules setting limits to permissible action”, sustained by legitimacy among nations and enforced by a balance of power. The alternative was a descent into chaos.

The international system that emerged in Europe from the Peace of Westphalia in 1648 was based on the sovereignty of states, non-interference, and the balance of power. This subsequently governed much of international relations around the world.

The Westphalian system has been challenged by technological change, a more interconnected world and the rise of states that had different ideas of order, Kissinger said. Europe itself had discarded the system to the point where a continental bureaucracy controlled its currency and borders.

Russia remained an enigma to Europe, having started more wars than any other power but having also prevented dominance of the continent by any single state. The American tradition was torn between idealists, who looked to spread democratic values around the world, and realists, who sought to protect the national interest and maintain the balance of power. The Chinese conception of order assumed a hierarchy of states paying tribute to the Middle Kingdom.

Kissinger felt that the world needed to forge a new, stable order that had legitimacy and power. He saw “a modernisation of the Westphalian system informed by contemporary realities”.

What would such a system entail today?

Monica Duffy Toft has said that, in a geopolitical situation like that prevailing at the end of World War II, the world would devolve into spheres of influence – areas that states control but over which they do not necessarily exercise sovereignty. The United States, Russia and China may well choose to carve up the world among themselves.

John Mearsheimer thinks that the rise of China, a nation with a large economy and population and a strong military, cannot be peaceful, for the United States would never accept Chinese dominance in Asia. “The inescapable outcome is competition and conflict,” Mearsheimer writes.

Yan Xuetong has predicted a world with the United States and China as its two superpowers as China continues to close the gap in economic, military and cultural domains using what, he argues, is its more capable political leadership.

Michael Beckley argues that the world order is stagnant. Expansion in demography, productivity and territory have reached their limit the world over, the result being that “no country is rising fast enough to overturn the global balance”. The United States leads productivity growth while increasing its economic output relative to most peers’.

Amid uncertainty, Indian policymakers have their task cut out. A major ally in the United States seems to turn inward; neighbours in the subcontinent are restive; a thaw with China belies much ice; and trade deals with the US and the EU would bring about an urgent need for domestic reform.

India must focus steadfastly on its national interest. The Prime Minister has defined it: to become a developed nation by 2047. No easy task – the world economy remains slow, households are saving less since the pandemic, and Indian businesses other than Adani and Reliance are not investing much. Jobs are still hard to come by for a young workforce that remains short on skills.

In these circumstances, development, not status, is the national interest.

Indian policymakers must look to manage an environment in which the country is to deliver material progress over the next two decades. This means placing India’s economic interest above all else while protecting its sovereignty.

Wars are not in India’s interest; we must increase trade with those who buy our goods and services and lay out the red carpet to those ready to create jobs here. It would be unwise to ignore national security in a volatile subcontinent. So investment from strategic rivals should be screened in sensitive industries. In all others, instead of the question “why are you here?”, the government of India should ask “how can we help you set up?”

The trade agreement with the EU is an opportunity to attract capital and knowhow, and create jobs. As for the deal with the US, India should first let the uncertainty clear in Washington.  

India must deal with neighbouring countries fairly, firmly, calmly. And what of the great powers? We should deal with all and threaten none. As Chinese leaders once told their diplomats, “Keep a low profile while trying to accomplish something.”

As the world order transits, India must deliver material progress while protecting its sovereignty. For that, do we really need to be a great power?

Thank you.

 

আরও পড়ুন
Sponsored Links by Taboola
Advertisement

সেরা শিরোনাম

US-Iran War: 'অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়', দোলের শুভেচ্ছাবার্তাতেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ট্রাম্পের
'অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়', দোলের শুভেচ্ছাবার্তাতেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ট্রাম্পের
US-Iran War: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিজেকে ১০-এ ১৫ দিলেন ট্রাম্প, বললেন, ‘যাদের নেতা হওয়ার শখ…’
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিজেকে ১০-এ ১৫ দিলেন ট্রাম্প, বললেন, ‘যাদের নেতা হওয়ার শখ…’
Iran Israel Conflict:
"কেন ট্রাম্প কিছু করলে, নীরব থাকেন মোদি ?" প্রশ্ন সৌগতর
US-Iran War: ‘ইরাকের ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়’, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিই সার, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে কোনও সাহায্য় করবে না স্পেন
‘ইরাকের ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়’, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিই সার, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে কোনও সাহায্য় করবে না স্পেন
Advertisement

ভিডিও

Chok Bhanga 6ta | ভোট উৎসবের আগে কলকাতায় বাহিনীর রুট মার্চ, অন্য়দিকে পশ্চিম এশিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
Chhok Bhanga 6Ta: পঞ্চম দিনেও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। হামলা-পাল্টা হামলা
Chhok Bhanga 6Ta : 'অপরিকল্পিতভাবে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল', আক্রমণ শমীকের
Basant Utsav | বাঘাযতীন মিলন সঙ্ঘে বসন্ত উৎসব, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নিল কচিকাচারা
ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন (২.৩.২৬) পর্ব ২: বিজেপির 'পরিবর্তন যাত্রা'র সূচনা করে তীব্র আক্রমণ অমিত শাহের
Advertisement

ফটো গ্যালারি

Advertisement
ABP Premium

ব্যক্তিগত কর্নার

সেরা প্রতিবেদন
সেরা রিল
Mossad News: ডেন্টিস্ট সেজে আয়াতোল্লার ঘনিষ্ঠবৃত্তে পৌঁছে যায় মোসাদ এজেন্ট? চিপ ঢুকিয়ে দেয় মুখে? নয়া তত্ত্ব
ডেন্টিস্ট সেজে আয়াতোল্লার ঘনিষ্ঠবৃত্তে পৌঁছে যায় মোসাদ এজেন্ট? চিপ ঢুকিয়ে দেয় মুখে? নয়া তত্ত্ব
Iran Israel War : ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাব, ১০ মাসে সর্বনিম্ন সেনসেক্স, রক্তক্ষরণ দালাল স্ট্রিটে
ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাব, ১০ মাসে সর্বনিম্ন সেনসেক্স, রক্তক্ষরণ দালাল স্ট্রিটে
AI War Videos : AI-জেনারেটেড যুদ্ধের ভিডিওতে রাশ টানছে এক্স, নিয়ম ভাঙলে বন্ধ হবে আয়
AI-জেনারেটেড যুদ্ধের ভিডিওতে রাশ টানছে এক্স, নিয়ম ভাঙলে বন্ধ হবে আয়
Sukanya Samriddhi Yojna : কন্যাসন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে, মাসে ১,০০০ টাকা করে দিয়ে পান ৫.৫ লক্ষ টাকা !
কন্যাসন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে, মাসে ১,০০০ টাকা করে দিয়ে পান ৫.৫ লক্ষ টাকা !
Stock Market Crash : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, ২ দিনে ভারতের শেয়ার বাজার থেকে উধাও ৯.৭ লক্ষ কোটি টাকা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, ২ দিনে ভারতের শেয়ার বাজার থেকে উধাও ৯.৭ লক্ষ কোটি টাকা
Defence Stock Alert : রক্তাক্ত শেয়ার বাজারে দুরন্ত গতি এই প্রতিরক্ষা স্টকগুলিতে, শিরোনামে তেজাস, পারাস, জেন টেক
রক্তাক্ত শেয়ার বাজারে দুরন্ত গতি এই প্রতিরক্ষা স্টকগুলিতে, শিরোনামে তেজাস, পারাস, জেন টেক
Gas Cylinder Using Tips : ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে রান্নার গ্যাস পেতে সমস্যা হবে ? সিলিন্ডারে কতটা রয়েছে বুঝুন ৩ সহজ উপায়ে
ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে রান্নার গ্যাস পেতে সমস্যা হবে ? সিলিন্ডারে কতটা রয়েছে বুঝুন ৩ সহজ উপায়ে
Sensex-Nifty Crash: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত, রক্তক্ষরণ ভারতের শেয়ার বাজারে! সূচক পড়ল প্রায় ১৫০০ পয়েন্ট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত, রক্তক্ষরণ ভারতের শেয়ার বাজারে! সূচক পড়ল প্রায় ১৫০০ পয়েন্ট
Embed widget