Energy Lockdown : সাধারণ গৃহস্থ সুবিধা পাবে না ! আরও ২০% LPG বরাদ্দ এদের জন্য, কাদের লাভ ?
LPG Crisis : বর্তমানে এই বরাদ্দের পরিমাণ রয়েছে ৫০ শতাংশ। যা বাড়িয়ে প্রাক সঙ্কট মুহূর্তে রাজ্য সরকারগুলিকে ৭০ শতাংশ করতে বলা হয়েছে।

LPG Crisis : পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের (Iran Israel War) জেরে উদ্ভূত জ্বালানি সঙ্কট (Energy Lockdown) মেটাতে এবার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন করে রাজ্য সরকারগুলিকে পাঠানো হয়েছে এই চিঠি। যেখানে বলা হয়েছে, সরকার শিল্প ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক গ্যাসের (Commercial LPG) সুবিধা দিতে বারদ্দের পরিমাণ আরও ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। বর্তমানে এই বরাদ্দের পরিমাণ রয়েছে ৫০ শতাংশ। যা বাড়িয়ে প্রাক সঙ্কট মুহূর্তে রাজ্য সরকারগুলিকে ৭০ শতাংশ করতে বলা হয়েছে।
প্রতিটি রাজ্যের মুখ্য়সচিবদের পাঠানো হয়েছে এই চিঠি
ভারতের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিবদের ফের চিঠি পাঠিয়েছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। নন ডোমেস্টিক এলপিজির বরাদ্দ ৭০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তাদের। রাজ্যগুলিতে বাণিজ্যিক এলপিজির সীমা বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে এই চিঠিতে। আগের ৫০ শতাংশ বরাদ্দের সঙ্গে আরও ২০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের।
মনে রাখতে হবে, এই ৫০ শতাংশের মধ্য়ে ৪০ শতাংশ সরকারি কোটা থেকেই পাবে রাজ্য। বাকি ১০ শতাংশ রাজ্য সরকার পাইপের প্রাকৃতিক গ্যাস সংস্কারের বাস্তবায়নে কতটা ব্যবস্থা নেয় তার ওপর পাওয়া যাবে।

কারা এর থেকে উপকার পাবে
এই বিষয়ে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের সচিব নীরজ মিত্তল রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছেন। যাতে বলা হয়েছে, শ্রম ভিত্তিক শিল্প যেমন- ইস্পাত, অটোমোবাইল, বস্ত্র, রাসায়নিক, ডাই (রঞ্জক) প্লাস্টিক শিল্পকে রাজ্যগুলি অগ্রাধিকার দিলেই সব সুবিধা পাবেন।
এই শিল্পগুলির মধ্যে অগ্রাধিকার পাবে, প্রসেসেড ইন্ডাস্ট্রি বা প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। যেখানে বাণিজ্যিক LPG ব্যবহার করেই বেশিরভাগ কাজ সম্ভব হয়। এখানে প্রকৃতিক গ্যাস বা PNG ব্যবহার করে কাজ সম্ভব হয় না।
আগেই ৫০ শতাংশ বাণিজ্যিক LPG বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে
গত ২৩ মার্চের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য়গুলিকে বাণিজ্যিক LPG গ্যাসের সুবিধা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। সেই সময়, এই বৃদ্ধির সুবিধা দেওয়া হয়েছে-হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানট, কমিউনিটি কিচেন (সামাজিক রান্নাঘর), হোটেল ও রেস্তরাঁর মতো খাতগুলিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। হিসেব বলছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ১৮০টি ৫ কেজির গ্যাস সিলিন্ডার প্রতিদিন দেওয়া হয়েছে।
মূলত, পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধে আমেরিকা ঢুকে পড়তেই মধ্য প্রাচ্যে অনেক দেশই এই যুদ্ধে যুক্ত হয়ে গেছে। যেখানে আমেরিকার সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। যার ফলস্বরূপ, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। তবে ভারত-সহ পাঁচটি বন্ধু দেশকে হরমুজে ছাড় দিয়েছে ইরান।
সেরা শিরোনাম






















