বাজেট: শিক্ষাক্ষেত্রে রবাদ্দ প্রায় ৯৪ হাজার কোটি, স্বাস্থ্যে ৬১ হাজার কোটি

নয়াদিল্লি: মোদি সরকারের শেষ বাজেটে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। শুক্রবার, লোকসভায় অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেন পীযূষ গোয়েল। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে রবাদ্দ করা হয়েছে ৯৩,৮৪৭.৬৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে স্কুলশিক্ষার জন্য বরাদ্দ ৫৬,৩৮৬.৬৩ কোটি টাকা। উচ্চশিক্ষার জন্য বরাদ্দ ৩৭,৪৬১.০১ কোটি টাকা।
গত অর্থবর্ষে এই খাতে ৮৫,০১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন অরুণ জেটলি। এদিন অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে গিয়ে আগামী চার বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন পীযূষ গোয়েল।
এর জন্য তিনি ২০২২ সাল নাগাদ একটি প্রকল্প রূপায়ণ করার প্রস্তাব দেন তিনি, যার মাধ্যমে দেশের প্রথম সারির শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিশ্ঠানগুলিতে বিভিন্ন গবেষণা-সংক্রান্ত পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটানো যায়। এর পাশাপাশি, গবেষণা ও উদ্ভাবনা খাতে বরাদ্দ প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩৫০ কোটি টাকা থেকে ৬০৮ কোটি টাকা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, এদিনের বাজেটে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হয়েছে ৬১ হাজার কোটি টাকা। যারমধ্যে কেন্দ্রের সাধের আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ৬,৪০০ কোটি টাকা। গোয়েল জানান, গত অর্থবর্ষে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বরাদ্দ ছিল ৫২,৮০০ কোটি টাকা। সেই বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬১,৩৯৮ কোটি টাকা।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার ঘোষণা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই খাতে বরাদ্দ করা হল ৬,৪০০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল, দেশের প্রায় ১০ কোটি গরিব পরিবারকে বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা করে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা করে দেওয়া।
আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের আওতায় বরাদ্দ করা হয়েছে ১,৩৫০ কোটি টাকা। আবার জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩১,৭৪৫ কোটি টাকা করা হয়েছে।





















