এক্সপ্লোর
সুনীলের ‘অপ্রকাশিত’ বিতর্ক

কলকাতা: চার বছর আগে, এক নবমীর ভোরে দিকশূন্যপুরে চলে গিয়েছিলেন নীললোহিত। সুনীল নেই। তবু, তাঁর সৃষ্টিতে আজও মজে বাঙালি। আর সেই সুনীলের নামে প্রকাশিত লেখাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নয়া বিতর্ক। নতুন কৃত্তিবাস পত্রিকার দুটি সংখ্যায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে অপ্রকাশিত তিনটি রচনাকে ঘিরে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকির সন্ধিক্ষণে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পত্রিকার একটি সংখ্যায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে ছাপা হয়েছে দুটি লেখা। দাবি করা হয়েছে, দুটি রচনাই অপ্রকাশিত। লেখার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে পাণ্ডুলিপিও। এর মধ্যে একটি রচনা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুকে নিয়ে। অন্যটি, কবি শামসুর রহমানকে নিয়ে। পত্রিকার অন্য একটি সংখ্যায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে আরও একটি লেখা। নাম দেওয়া হয়েছে শক্তি-সুনীল যুগলবন্দি। এখানেও দাবি করা হয়েছে, এই লেখাটি আগে কোনও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি এবং অগ্রন্থিত। এর জেরে প্রকাশনা সংস্থাকে পাঠানো হয়েছে আইনি নোটিস। সুনীলের স্ত্রী-পুত্রের তরফে পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, ‘সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা প্রকাশ করার কোনও অধিকার সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা সংস্থার নেই। তারা বেআইনিভাবে সুনীলের নামে লেখা পত্রিকায় ছেপে লাভ করার চেষ্টা করছে।’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের স্ত্রী স্বাতী বলেছেন, ‘সুনীলের প্রকাশিত রচনা আমার কাছেই থাকে। অন্য কারও কাছে থাকলে অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল। আর কতদিন এমন দেখতে হবে! অন্য বন্ধুকে বা তরুণ কবিকে সে কোনও লেখা দিতেই পারে। তা হলে তাঁর নামটা প্রকাশ করবে। আমি জানব না, ছেলে জানবে না, ভাবতেই পারছি না।’ বিতর্কের মুখে আপাতত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে লেখা ছাপা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই প্রকাশনা সংস্থা। এই প্রকাশনা সংস্থা বিতর্কে জড়িয়েছে আগেও। ১৯৫৩ সালে সুনীল ও তাঁর বন্ধুদের হাত ধরে আত্মপ্রকাশ ঘটে কৃত্তিবাস পত্রিকার। সেই পত্রিকা এখনও রয়েছে। এখন সম্পাদক সুনীল-জায়া। তা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে এসেছে নতুন কৃত্তিবাস। সেখানে ‘নতুন’ শব্দটি এত ছোট করে লেখা যা অনেকের চোখেই পড়ে না বলে অভিযোগ। এর জেরেই তৈরি হয় বিভ্রান্তি। এ নিয়েও প্রকাশনা সংস্থাকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তার এক বছর কাটতে না কাটতেই ফের নতুন বিতর্ক।
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















