China-Taiwan Clash: চিনের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধ প্রস্তুতি' তাইওয়ানের? সেনা তৈরি রাখতে বার্তা
Taiwan-China Conflict: রাষ্ট্রপতি লাই চিং উল্লেখ করেছেন বেজিংয়ের তরফে যে হুমকি শোনা যাচ্ছে তা সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত করার কাজ চলছে।

নয়া দিল্লি: ফের চিনের হুমকির মুখে তাইওয়ান। সেই প্রেক্ষাপটে এবার যুদ্ধ প্রস্তুতিতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে তাইওয়ান। সামরিক বাহিনী দিয়ে প্রত্যাঘাতের জন্যও তৈরি হচ্ছে দেশটি, এমনটাই জানা গিয়েছে ফোকাস তাইওয়ানের একটি রিপোর্টে। সেখানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি লাই চিং উল্লেখ করেছেন বেজিংয়ের তরফে যে হুমকি শোনা যাচ্ছে তা সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত করার কাজ চলছে। ফোকাস তাইওয়ানের প্রতিবেদনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর তরফে বলা হয়েছে যে, 'যেহেতু আমরা একটি দ্বীপে অবস্থিত, ই চিন যদি একাধিক জায়গা থেকে আক্রমণ করে এর জন্য আমাদের সামরিক সরবরাহ মজুত করতে হবে। এমনকি আমাদের 'War Of Endurance' -এর জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে।
সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রের খবর, এই সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিতে তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছে। এও বলা হয় যে দেশের মধ্যে শক্তিশালী প্রতিরোধ বজায় রাখার জন্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। ফোকাস তাইওয়ানের রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বিমানের প্রতিরক্ষা ইউনিট, ড্রোনএবং মোবাইল রাডার সিস্টেম যাতে নির্ভুলভাবে কাজ করে সেদিকটিও দেখা হচ্ছে।
গত কয়েক বছরে চিন ও তাইওয়ানের মধ্যে বেড়েছে উত্তেজনা। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মে মাসে লাই চিং-টে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর। স্বাধীন ও সার্বভৌম তাইওয়ানের পক্ষে তিনি। এই লাই চিং-তেকে 'বিচ্ছিন্নতাবাদী' নেতা বলে মনে করে বেজিং হুমকি দিয়ে আসছে, তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ নিতে শক্তি প্রয়োগ করতে পিছপা হবে না। তিনি আরও বলেন, ‘তাইওয়ান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে। কারণ যুদ্ধের প্রস্তুতিই যুদ্ধ এড়ানোর শ্রেষ্ঠ উপায়।’
প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে ক্ষমতায় আসার পর থেকে চিন তিন দফা সামরিক মহড়া চালিয়েছে। তাইওয়ানের আশঙ্কা, চিন বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালাতে পারে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ একাধিক দেশ তাইওয়ানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে।
গত কয়েক বছর ধরে তাইওয়ানের উপর সামরিক চাপ বাড়িয়েছে বেজিং। তাইওয়ান দ্বীপের কাছাকাছি চিনা যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান চক্কর কাটে। বেজিং দাবি করে আসছে, তাইওয়ান চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বেজিংয়ের এই আগ্রাসনকে উড়িয়ে দিয়েছে তাইপেই। তারা জানিয়েছে, তাইওয়ানের সাধারণ মানুষ ঠিক করবে তারা কী চায়। তাইওয়ানিজদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে হবে বেজিংকে।






















