CJP : ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, কয়েকঘণ্টার মধ্যেই সুর বদল সরকারের ! বড় দাবি ককরোচ-পার্টির
সৌরভ দাস জানিয়েছেন, সরকারপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং ধৃতদের মুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

নয়া দিল্লি : ফের দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরই বড় অগ্রগতির দাবি করল Cockroach Janta Party (CJP)। দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, সরকারপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং ধৃতদের মুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
বিহার ও অসমে FIR প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তির দাবি
সোমবার রাতে সামাজিক মাধ্যম X-এ করা পোস্টে সৌরভ দাস জানান, সরকারপক্ষের প্রতিনিধিরা CJP নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাঁর দাবি, বৈঠকে বিহার ও অসমে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তির কপি দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও প্রশাসনিক বা পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির প্রতিশ্রুতি
সৌরভ দাসের দাবি, আন্দোলনের সময় গ্রেফতার হওয়া বা আটক থাকা CJP কর্মী-সমর্থকদের মুক্তির প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে ধৃতদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।
কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি
CJP নেতার দাবি, সংবাদ সম্মেলনের পরই কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক হয়। সেখানে আন্দোলন সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্র এবং অন্যান্য BJP/NDA শাসিত রাজ্য থেকেও একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা
সামাজিক মাধ্যমে করা পোস্টে সৌরভ দাস আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, সংগঠন তাঁদের পাশে রয়েছে এবং আন্দোলনের সময় যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বা যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের স্বার্থ রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে।
এখনও সরকারি ঘোষণা আসেনি
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, FIR প্রত্যাহার, ধৃতদের মুক্তি বা অন্যান্য দাবির বিষয়ে কেন্দ্র, বিহার কিংবা অসম সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক সরকারি ঘোষণা প্রকাশ করা হয়নি। CJP-র দাবি অনুযায়ী এই পদক্ষেপগুলির বিষয়ে শীঘ্রই সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত অবস্থান জানতে সরকারি ঘোষণার দিকেই নজর রয়েছে।























