Prahlad Joshi : ছাত্ররা বলেছে নজরে রাখবে, কেন শিক্ষামন্ত্রীর গুরুদায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশি ? নেপথ্যে কী ?
Dharmendra Pradhan : এবার এই দায়িত্বে দেওয়া হল প্রহ্লাদ জোশিকে। জেনে নিন, অন্যান্য মন্ত্রকের পাশাপাশি কেন জোশিকে এই দায়িত্ব ? নেপথ্যে কী কারণ ?

Dharmendra Pradhan : দুপুরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরই শুরু হয় জল্পনা। অনেকেই বলতে শুরু করেন, ককরোচ জনতা পার্টির এই আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রকের গুরুদায়িত্ব নেওয়া এখন কঠিন বিষয়। এবার এই দায়িত্বে দেওয়া হল প্রহ্লাদ জোশিকে। জেনে নিন, অন্যান্য মন্ত্রকের পাশাপাশি কেন জোশিকে এই দায়িত্ব ? নেপথ্যে কী কারণ ?
প্রহ্লাদ জোশির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার
কর্ণাটকের ধারওয়াড়ের থেকে পাঁচবারের সাংসদ প্রহ্লাদ জোশি। কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রিসভায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবা কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি কয়লা ও খনি মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন। এবার সেই জোশিকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হল। ২০১৯ সালের ৩০ মে থেকে এই দায়িত্ব সামলে আসছেন তিনি। এই মন্ত্রী পদে দায়িত্ব সামলানোর আগে ২০১৪-২০১৬ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জনতা পার্টির কর্ণাটকের রাজ্য সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি ২০১৪-১৮ সাল পর্যন্ত লোকসভার প্যানেল চেয়রপার্সন সদস্য় ছিলেন তিনি।
কোন আন্দোলন থেকে প্রতারের আলোয়
১৯৯০ সালের RSS সমর্থিত ইদগাহ ময়দান আন্দোলন দিয়ে কেরিয়ার শুরু তার। দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের পোর্টফোলিও ধরে রাখলেও সেভাবে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি তাকে। দিল্লির রাজনীতিকরা বলছেন, সেই কারণেই এরকম একটা পরিস্থিতিতে প্রহ্লাদের ওপরই ভরসা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ককরোচ জনতা পার্টির বিপুল বিক্ষোভের সামনে অবশেষে মাথা নুইয়েছে সরকার। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। যদিও পদত্যাগের পোস্টেই কিছু প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেলেন তিনি। কী কারণে দেরিতে হলেও ইস্তফা দিলেন প্রধান। পোস্টের ছত্রে-ছত্রে রইল সেই উল্লেখ।
সোশ্যাল পোস্টে কী লিখেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
এদিন পদত্যাগের সময় মামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানে তিনি বলেন, ''এটা আমার দৃঢ় সংকল্প, আমি যেন দেশের যুব প্রজন্মের শক্তিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে না দিই। কখনোই চাইব না, ভারত-বিরোধী শক্তি যেন যন্তর-মন্তর বা দেশের এই পরিস্থিতির সুযোগ না নেয়। আমি চাই, দেশের ঐক্য যেন অক্ষুন্ন থাকে।''
এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর ইস্তফার পরই মুখ খোলেন মোদির মন্ত্রিসভার এই হেভিওয়েট মিনিস্টার। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সমর্থন করে তিনি বলেন, ''আপনি সত্যিকারের নেতার মতো নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিগত বছরগুলি ধরে আপনার অবিরাম গণ পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।''























