US-Iran Conflict: বিপদ ঘটতে পারে ট্রাম্পের? আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বললেন, ‘কিছু হলে পৃথিবী থেকে মুছে যাবে ইরান’
Donald Trump on Iran: আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে হুঁশিয়ারি পাল্টা হুঁশিয়ারি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ট্রাম্পকে।

নয়াদিল্লি: সরকার বিরোধী আন্দোলনে তপ্ত ইরানে হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলে আগেই। এবার পৃথিবীর বুক থেকে ইরানকে মুছে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কিছু হলে ইরানের অস্তিত্বই মুছে যাবে বলে মন্তব্য করলেন তিনি। (Donald Trump on Iran)
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে হুঁশিয়ারি পাল্টা হুঁশিয়ারি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ট্রাম্পকে। নিজের প্রাণহানির ঝুঁকি নিয়ে কী ভাবছেন জানতে চাওয়া হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ওদের এমন কিছু করা উচিত নয়। তবু কবর রাখছি আমি। আমি কড়া নির্দেশ দিয়ে রেখেছি। গোটা দেশটি উড়ে যাবে। কিছু ঘটলে, পৃথিবীর বুক থেকে মুছে দেওয়া হবে ওদের।” এক বছর আগেও এমন হুঁশিয়ারি শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পের মুখে। (US Iran Conflict)
সরকার বিরোধী আন্দোলন তপ্ত ইরানে হস্তক্ষেপ করার কথা আগেই শোনা গিয়েছে ট্রাম্পের মুখে। সেই নিয়ে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। ইরানে অশান্তির নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে, আমেরিকা-ইজ়রায়েলের হাত রয়েছে বলে দাবি করে তেহরান।
সেই আবহেই ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে হত্যা করা হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়। পাল্টা ট্রাম্পকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বসেন ইরানের জেনারেল আবুলফজল শেকরচি। ইরানও হাত গুটিয়ে বলে থাকবেন না বলে জানান তিনি।
.@POTUS on threats from Iran: "I've left notification, anything ever happens... the whole country's going to get blown up." pic.twitter.com/oD6WpeWVoY
— Rapid Response 47 (@RapidResponse47) January 21, 2026
আবুলফজল বলেন, “ট্রাম্প ভাল করেই জানেন, আমাদের নেতার বিরুদ্ধে আগ্রাসী হাত এগিয়ে এলে সেই হাতই কেটে দেব আমরা। এটা শুধুমাত্র মুখের কথা নয়। গোটা পৃথিবীতে আগুন জ্বলবে। কোনও নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না।”
এই মুহূর্তে সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত ইরান। অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাপনের খরচ বৃদ্ধি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। সরাসরি আয়াতোল্লার মৃত্যু কামনা করে স্লোগান তুলছেন তাঁরা। রিপোর্ট বলছে, ইরানে এবারের আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৫০০০ মানুষ মারা গিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের উপর সরকার নিদারুণ অত্যাচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।
যদিও এই পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে দায়ী করছে ইরান। তাদের দাবি, বাইরে থেকে শত্রুরা ইন্ধন জোগাচ্ছে। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্য উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকে ঢুকে পড়েছেন বলেও দাবি তাদের। মসজিদ, সরকারি ভবন ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কিন্তু হাজার হাজার মানুষ যে মারা গিয়েছেন, তা মেনে নিয়েছেন স্বয়ং আয়াতোল্লাও।























