Delhi Flood Situation: দিল্লিতে বন্যা পরিস্থিতি, বিপদসীমা পেরিয়ে ফুঁসছে যমুনা, ঢুবে যাচ্ছে একাধিক বাড়ি!
Yamuna Crosses Danger Mark:দিল্লিতে সোমবার প্রায় সারারাতই বৃষ্টি হয়েছে। সকালে রাস্তাঘাট জলমগ্ন এবং বেশ কয়েকটি এলাকার বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে।

নয়া দিল্লি: অত্যাধিক বৃষ্টির প্রবল জের, বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে যমুনা। এদিকে ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার জেরে সোমবার দিল্লিতে বন্যার সতর্কতা জারি করল সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতর। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ ৩ লক্ষ কিউসেক ছাড়িয়ে গেছে। জলস্তর আরও বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। সকল সেক্টর অফিসারদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নদীর বাঁধের মধ্যে বসবাসকারী লোকজনকে সতর্ক করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করা হবে।
দিল্লিতে সোমবার প্রায় সারারাতই বৃষ্টি হয়েছে। সকালে রাস্তাঘাট জলমগ্ন এবং বেশ কয়েকটি এলাকার বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। রাতভর ভারী বৃষ্টিপাতের পর যমুনা নদীর জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করায় দিল্লি-এনসিআর-এর ঘরবাড়িতে বন্যার জল ঢুকে পড়েছে। জলস্তর বৃদ্ধির ফলে বিশেষ করে দিল্লি-গুরুগ্রাম সীমান্তে ভয়ঙ্কর যানজট দেখা দিয়েছে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে, মঙ্গলবার কিছু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার কথা বলেছেন। এর আগে ২০২৩ সালে দিল্লি তার সবচেয়ে খারাপ বন্যার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল যখন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছিল, যার ফলে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
যমুনার জলস্তর বাড়ায় দিল্লি সরকার মঙ্গলবার থেকে দিল্লি রেলসেতুর উপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার কেন্দ্রীয় জল কমিশন (সিডব্লিউসি)-এর পরামর্শের কথা উল্লেখ করে বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম)-কে এই নির্দেশ দেন জেলাশাসক।
যমুনার জলস্তর বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গেই ময়ূর বিহারের একটি ত্রাণ শিবিরের তৈরি করা হয়েছে। ময়ূর বিহারের বাসিন্দা অশোক এই বন্যা ত্রাণ শিবিরগুলি সম্পর্কে জানিয়েছেন, তাঁবু তৈরি করা হয়েছে। বন্যার সময় নদীতীরবর্তী মানুষ এই তাঁবুগুলিতে এসে বসবাস করতে পারবে। অগাস্ট মাসে সমগ্র ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২৬৮.১ মিমি, যা ২০০১ সালের পর সপ্তম সর্বোচ্চ এবং ১৯০১ সালের পর ৪৫তম স্থানে রয়েছে। অগাস্ট মাসে উত্তর-পশ্চিম ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২৬৫.০ মিমি, যা ২০০১ সালের পর সর্বোচ্চ এবং ১৯০১ সালের পর ১৩ স্থানে রয়েছে।






















