CJP on Gyanesh Kumar: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার জন্য CJP-র 'ডেডলাইন', না মানলে ফের যন্তরমন্তরে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
Gyanesh Kumar: ককরোচ জনতা পার্টির তরফে CEC-র পদত্যাগ চেয়ে ৪৮ঘণ্টার ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হল ।

নয়াদিল্লি: এবার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ (Gyanesh Kumar) চেয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির (CJP)। জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দিলে 'যন্তরমন্তর ২.০'-র হুঁশিয়ারি জেন Z-র। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে CEC-র পদত্যাগ চেয়ে ৪৮ঘণ্টার ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হল।
SIR নিয়ে দুই কমিশনারের আপত্তি উড়িয়ে CEC-র বিরুদ্ধে একতরফা সিদ্ধান্তের অভিযোগ, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট ঘিরে তোলপাড়। পশ্চিমবঙ্গে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় ৬০ লক্ষের মধ্যে পরে ৩৫ লক্ষের নাম যোগ করা হয়েছিল। কিন্তু ৩৫ লক্ষের নাম যোগের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করে নির্বাচন কমিশন, আক্রমণ ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাসের।
SIR নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি অগ্রাহ্য করে কি একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমার? দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ মাসে ১৪ বার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার সান্ধু ও জোশী। নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশিকা নিয়ে ১ দিনে ৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু কোনও বারই নাকি তাঁদের আপত্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহুক্ষেত্রে তাঁদের অন্ধকারে রেখে ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন এবং বাদ দেওয়ার কাজ হয়েছে। নতুন ভোটারদের নাম যুক্ত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ এবং অননুমোদিত’ বলে দাবি করেছেন দুই নির্বাচন কমিশনার। এছাড়াও ERO-দের ক্ষমতা খর্ব করা, ভোটার তালিকা তৈরির ব্যবস্থাকে কেন্দ্রীভূত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এরপরেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মমতা বন্দোপাধ্যায় থেকে রাহুল গাঁধী, একাধিক বিরোধী নেতা, নেত্রীরা সরব হয়েছেন। এবার ককরোচ জনতা পার্টির তরফেও বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা।
দেশের রাজধানীতে সাংবাদিক বৈঠকে সিজেপির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে বলতে শোনা যায়, 'মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সবথেকে বড় দেশদ্রোহী। ওঁর এখনই পদত্যাগ করা উচিত কারণ ভারতের গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে ওঁই সবথেকে বড় ঝুঁকি। আমাদের দেশে গণতন্ত্রের মানে কী? গণতন্ত্রের মানে তো হল মানুষজন নিজেদের পছন্দের সরকারকে বেছে নেবে। তবে জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হওয়ার পর থেকে ওঁ বেছে দিচ্ছেন যে কারা ভোট দিতে পারবেন এবং কারা পারবেন না। এটা কেমন ধরনের গণতন্ত্র? গণতন্ত্রের গোটা ধারণাটাকেই আপনে বদলে ফেলেছেন। ৪৮ ঘণ্টায় জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে, ককরোচ জনতা পার্টি কিন্তু দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু করবে এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের আগে পর্যন্ত সেই আন্দোলন থামবে না।'
Before You Go
Sabina Yasmin: গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মহিলা সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সাবিনা ইয়াসমিন























