India Pakistan Conflict:স্বস্তি ফিরেছে পঞ্জাবের জেলায় জেলায়, খুলেছে দোকান ; 'ভারতীয় সেনার উপর আছে ভরসা..', বললেন সীমান্তের বাসিন্দারা
Punjab Situation: ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতির পর ধীরে ধীরে পঞ্জাবের সীমান্ত এলাকায় ফিরছে স্বস্তির নিশ্বাস, কী বলছেন জেলার বাসিন্দারা ?

নয়াদিল্লি: ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতির পর ধীরে ধীরে পঞ্জাবের সীমান্ত এলাকায় ফিরছে স্বস্তির নিশ্বাস। শান্তি ফিরেছে। ভারতীয় সেনার উপর বিশ্বাস আর ভরসা অটুট। ANI সংবাদ সংস্থার সাক্ষাৎকারে জানালেন পঞ্জাবের জেলার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন, শত্রুপক্ষের সব সঙ্কেতকেই ডিকোড, সীমান্ত ছোঁওয়ার আগেই নিকেশ ; কীভাবে কাজ করেছে নৌবাহিনী
পাঠানকোটের এক বাসিন্দা ANI সংবাদ সংস্থার সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ধীরেধীরে বদলে যাচ্ছে। খুলছে বাজার-দোকান ঘর। আমরা আশা করছি, পরিস্থিতি এমনই থাকবে। তবে যুদ্ধ কোনও সমাধান নয়।' পাশাপাশি ফিরোজপুরের অপর এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পরিস্থিতি আবার ভালর দিকে। শান্তিপূর্ণ। এভাবেই শান্তি বজায় রাখা উচিত।' যুদ্ধ কোনও সমাধান আনতে পারে না বলে দাবি করেছেন তিনিও। পঞ্জাবের এই দুই জেলার বাসিন্দাই জানিয়েছেন, তাঁরা আশা করছেন, এই শান্তিই বজায় থাকবে। পরিস্থিতি ধীরেধীরে আরও স্থির হবে।
টানা উত্তেজনার শেষে, পঞ্জাবের অমৃতসরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিকের পথে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা মনজিৎ সিংহ বলেছেন, ভারতীয় জওয়ানদের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে অমৃতসরের বাসিন্দাদের। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের পাঠানো ড্রোনগুলিকে ধ্বংস করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। তাই অমৃতসরের বাসিন্দারা দেশের সেনাদের উপর ভরসা করে। তাই এখানে কোনও প্যানিকও ছিল না। তবে সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণার পরেও সমঝোতা ভেঙেছে পাকিস্তান।
পাঞ্জাব সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানের অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচারের পর্দাফাঁস করল BSF ও পুলিশ।উদ্ধার হল RDX, হ্যান্ড গ্রেনেড, আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি!যাতে পরিষ্কার হয়ে গেল, এখনও ভারতে নাশকতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান! অমৃতসরের আজনালা থানার শেখভাট্টি গ্রামে যৌথ অভিযান চালায় BSF ও অমৃতসর গ্রামীণ পুলিশ। শনিবার পাক সীমান্তবর্তী ওই গ্রামে চাষের জমি থেকে উদ্ধার হয় ২ কেজি ৭০০ গ্রাম উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক,যার মধ্যে ছিল ৯৭২ গ্রাম RDX.২টি হ্যান্ড গ্রেনেড,.30 ক্যালিবারের ২টি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৩০ রাউন্ড গুলি, ২টি ডিটোনেটর, ৮টি ব্যাটারি, ব্ল্যাকবক্স,এবং IED সার্কিট। ধাতব তারে জড়ানো হলুদ রঙের প্যাকেটের মধ্যে ছিল অস্ত্র এবং বিস্ফোরক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কয়েকদিন ধরেই গোলাগুলির আওয়াজ পাচ্ছিলেন। উড়ছিল ড্রোন। এর মধ্যেই চাষের জমিতে মেলে অস্ত্র, বিস্ফোরক। অমৃতসর শেখভাট্টি বাসিন্দা সর্বজিৎ সিংহ বলেন, দেখলাম, কিছু জিনিস পড়ে আছে। ওরা (BSF-পুলিশ) এসে তদন্ত করে দেখল। কোনও ড্রোন দেখিনি, ওগুলো জমিতে পড়েছিল। রাতে প্রচুর ড্রোন উড়েছে। রাত্রিবেলা পাকিস্তানের দিক থেকেই কিছু হয়েছে। পাঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে,পাক-ড্রোন হামলার সময় সীমান্তের ওপার থেকে এইসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক এপারে পাঠানো হয়েছে।এর আগে অমৃতসরের শহিদ ভগৎ সিং নগরে পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর মদতপুষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস করে পাঞ্জাব পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে উদ্ধার হয় ২টি রকেট চালিত গ্রেনেড, জোড়া IED, ৫টি P-86 হ্যান্ড গ্রেনেড ও একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সেট।ISI-এর মদতপুষ্ট স্লিপার সেলই এই সমস্ত সরঞ্জাম মজুত করেছিল বলে দাবি পাঞ্জাব পুলিশের।প্রশ্ন উঠছে, এপারে কি এখনও জঙ্গিদের স্লিপার সেল অ্যাকটিভ রয়েছে?স্লিপার সেলের হাতে অস্ত্র তুলে দিতেই কি পাকিস্তানের ড্রোন-কৌশল? সামনাসামনি লড়াইয়েএঁটে উঠতে পারবে না বুঝেই স্লিপার সেলগুলিকে সক্রিয় করে ভারতে নাশকতার চেষ্টা করছে পাকিস্তান?






















