India Pakistan War: পাকিস্তানকে শায়েস্তা করতে ভারতীয় যুদ্ধবিমানের গর্জন, রাফাল থেকে মিরাজ, এয়ারস্ট্রিপে নামছে একের পর এক বিমান !
Indian Aircraft Ready For War : গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে সাড়ে ৩ কিলোমিটারের নাইট ল্যান্ডিং এয়ারস্ট্রিপ..

নয়াদিল্লি: পাকিস্তানকে শায়েস্তা করতে ভারতীয় যুদ্ধবিমানের গর্জন শুরু। যুদ্ধের প্রস্তুতিতে হাইওয়ে থেকেই যুদ্ধবিমানের টেকঅফ চলছে। উত্তরপ্রদেশে রাফাল, মিরাজ, জাগুয়ারের সক্রিয় শক্তিপ্রদর্শন। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে সাড়ে ৩ কিলোমিটারের নাইট ল্যান্ডিং এয়ারস্ট্রিপ। একের পর এক ফাইটার জেটের সঙ্গে কপ্টারেও ভারতীয় সেনার প্রস্তুতি।
আরও পড়ুন, ভারতের গতিবিধি জানতে তথ্য চুরির চেষ্টা নির্লজ্জ পাকিস্তানের ! সাইবার হানার চেষ্টা ফের বানচাল
একের পর এক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের গর্জনে কাঁপছে উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুর। রাফাল থেকে মিরাজ, জাগুয়ার নাইট ল্যান্ডিং এয়ারস্ট্রিপে নামছে একের পর এক বিমান। পরপর শাহজাহানপুরে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ওপর নামছে অত্যাধুনিক বিমানের ঝাঁক। শুধু ফাইটার জেট নয়, হাইওয়েতে নামছে পরপর ওয়ার কপ্টারও। কপ্টার থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া দড়ি বেয়ে নেমে পুরোদস্তুর অনুশীলনে সেনারা। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ওপর সাড়ে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা এখনও ফাইটারদের রানওয়ে। এই মেক শিফট রানওয়েতে রাতদিন অবতরণ করতে পারবে যুদ্ধবিমান। আড়াইশো সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে মুড়ে ফেলা হয়েছে এয়ারস্ট্রিপ।
বৈসরনকাণ্ডের পর ভারত যখন বদলার মুডে তখন ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে দু দেশের মধ্য়ে সংঘাত প্রশমনের উদ্য়োগ নিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বললেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুইতেরেজ। যদিও কড়া অবস্থানে অনড় ভারত। যদিও এখনও নির্লজ্জের মতো বৈসরনে হিন্দু নিধনে পাক-যোগ অস্বীকার করে যাচ্ছেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
কখন, কোথায় কীভাবে হামলা? ঠিক করতে সেনাবাহিনীকে 'পূর্ণ স্বাধীনতা' দিয়েছেন তিনি। মিশনের জন্য তৈরি সেনাবাহিনী, কীভাবে পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাত, তা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী । প্রতিরক্ষামন্ত্রী, NSA, CDS, ৩ বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কাশ্মীর হামলার পর, কীভাবে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়া যায়, সেই রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সারেন তিনি।
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিতে চায় ভারত, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সন্ত্রাসকে কোনওভাবে মেনে নেওয়া হবে না। এই বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এবং ভারতবর্ষের সেনাবাহিনীই ঠিক করবে যে, কীভাবে পহেলগাঁওয়ের এই আক্রমণের প্রত্যাঘাত করা হবে। কোথায় করা হবে, কোন সময় করা হবে, এর পূর্ণ স্বাধীনতা তিনি সেনাবাহিনীকে দিয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র মারফত যেটা জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছেন সেনাবাহিনীকে, যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে চায় ভারত।






















