এক্সপ্লোর

Chauri Chaura : চৌরি চৌরা ও ভারতের নিয়তি

Chauri Chaura : ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা চৌরি চৌরা। এই ঘটনা ও মহাত্মা গাঁধীর সিদ্ধান্তের কতটা প্রভাব রয়েছে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ?

চৌরি চৌরা (Chauri Chaura) কী ? এটি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গোরক্ষপুরের (Gorakhpur) অদূরে থাকা একটি ধুলোময় বাজার-শহরের নাম। যেখানে ১০০ বছর আগে এই দিনে, ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছিল। সম্ভবত এমন উপায়ে যা আমরা এখনও বুঝতে পারিনি। ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে যাঁরা দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন, চৌরি চৌরা সেইসব শহিদের গর্বের স্মৃতি। কয়েক বছর আগে গোরক্ষপুর থেকে কানপুর যাওয়া ট্রেনটির নাম দেওয়া হয়- চৌরি চৌরা এক্সপ্রেস। তথাপি, চম্পারণ সত্যাগ্রহ, লবণ আন্দোলন বা ভারত ছাড়ো আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যে গৌরব এনেছিল, চৌরি চৌরা সেই সমকক্ষে বসে নেই। এটি জাতীয় স্মৃতিতে বর্তমান এবং অনুপস্থিত উভয়ই।

১৯২০ সালে ভারতে অসহযোগ আন্দোলন (অসহযোগ) শুরু করেছিলেন গাঁধী। অর্থাৎ, ১৯২২ সাল এই আন্দোলনের গোড়ার দিক। খিলাফৎ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল উত্তর ভারতে। গোরক্ষপুর কংগ্রেস এবং খিলাফৎ কমিটি একটি জাতীয় কর্পসে স্বেচ্ছাসেবকদের সংগঠিত করার নেতৃত্ব দেওয়া শুরু করেছিল। স্বেচ্ছাসেবকরা যাতে অসহযোগিতার প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য মানুষ ও ব্যবসায়ীদের বিদেশি কাপড় বয়কট করতে এবং মদের দোকানে পিকেটিং করতে সাহায্য করে তার জন্য গ্রামে গ্রামে শাখা তৈরি করা হয়েছিল। মাঝে মধ্যে এক একজন স্বেচ্ছাসেবকের উপর লাঠি চালিয়ে পুলিশ এই ধরনের রাজনৈতিক কার্যকলাপ দমন করতে চেয়েছিল। এইসব কারণে বাতাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল।

দিনটা ছিল ৫ ফেব্রুয়ারি। যদিও কিছু কিছু সূত্র বলে, ৪ ফেব্রুয়ারি। স্বেচ্ছাসেবকদের একটি মিছিল মুন্ডেরার স্থানীয় বাজার অবরোধ করতে চেয়েছিল। তাঁরা স্থানীয় থানার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেইসময় সেখানে থাকা থানাদার পশ্চাদপসরণ করার সতর্কতা জারি করেন। জনতার তরফ থেকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে তার জবাব দেওয়া হয়। তখন থানাদার পাল্টা বাতাসে কয়েকটি গুলি ছোড়ে। পুলিশের এই আপাত দুর্বলতা মিছিলকারীদের আরও উৎসাহিত করে। ঐতিহাসিক শাহিদ আমিন তাঁর বর্ণনায় লিখেছেন, মিছিলকারীরা এই কথা বলেন যে, 'গাঁধীজির কৃপায় বুলেট জলে পরিণত হয়েছে। তারপরই ছুটে আসে আসল বুলেট। তাতে তিনজন মারা যান এবং আরও কয়েকজন আহত হন। সেই সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে শুরু করেন। ভয়ে পুলিশকর্মীরা থানায় ফিরে যায়। উত্তেজিত জনতা বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে বাজার থেকে কেরোসিন এনে থানায় আগুন ধরিয়ে দেয়। তাতে ২৩ জন পুলিশ মারা যায়। অধিকাংশই আগুনে পুড়ে। যারা আগুন থেকে বেঁচে গিয়েছিল তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

সঠিক প্রতিশোধের পথে চলে যায় ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র। পুলিশের ভাষায়, 'হিংসা সৃষ্টিকারীরা পলাতক ছিল'। কিন্তু চৌরি চৌরার ঘটনায় যারা অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় এই সত্যের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, অসহযোগ অঙ্গীকার করার মাধ্যমে তাঁদের সংঘবদ্ধ হওয়াই যথেষ্ট ছিল। এই ঘটনার পর আশপাশের গ্রামে অভিযান চালানো হয়। সন্দেহভাজনদের আড়াল থেকে বের করে নিয়ে এসে ২২৫ জনকে অভিযুক্ত করে দ্রুত বিচারের জন্য দায়রা আদালতে তোলা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৭২ জনের মধ্যে ১৯ জনকে ফাঁসির মঞ্চে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের এখন চৌরি চৌরার ‘শহিদ’ হিসেবে স্মরণ করা হয়।

মোহনদাস গাঁধীর মতো চৌরি চৌরার ঘটনায় কেউই অতটা কেঁপে ওঠেনি। এদিকে ইতিমধ্যেই তাঁকে মহাত্মা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, গাঁধীজি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, দেশ যদি তাঁর নেতৃত্বকে মেনে নেয় এবং নীতিগত অহিংস প্রতিরোধকে কঠোরভাবে মেনে চলতে প্রস্তুত থাকে তাহলে এক বছরের মধ্যে তিনি দেশে স্বরাজ আনবেন। কংগ্রেস 'গণ আইন অমান্য' অভিযান শুরু করার পথে ছিল । সর্দার প্যাটেলকে যার দায়িত্ব দিয়েছিলেন গাঁধীজি। ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখে গাঁধীজি কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যদের কাছে একটি গোপন চিঠি লেখেন। যাতে তিনি নিজেকে 'গোরক্ষপুর জেলার ঘটনায় ভয়ঙ্কর বিক্ষুব্ধ' বলে বর্ণনা করেছিলেন। আরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি বারদোলি সত্যাগ্রহ স্থগিত করার আহ্বান জানানোর কথা ভাবছেন: 'আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনোই অর্ধ সহিংস এবং অর্ধেক অহিংস আন্দোলনের পক্ষ নই, যদিও এর ফলে তথাকথিত স্বরাজ অর্জন হতে পারে। তাতে সত্যিকারের স্বরাজ আসবে না, যেমনটা কল্পনা করেছি।'

গাঁধীর জীবনীকার ডি জি তেন্ডুলকর লিখেছেন যে, তিনি এই সময়ে 'কংগ্রেসের জেনারেলিসিমো' ছিলেন। কেউ কেউ কঠোর ভাষা ব্যবহার করে তাঁকে 'স্বৈরশাসক' হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। গাঁধীজি মনে করেছিলেন যে, চৌরি চৌরায় 'জনতা'-র সহিংসতা দেখিয়েছিল যে দেশ এখনও স্বরাজের জন্য প্রস্তুত নয়। বেশিরভাগ ভারতীর কাছে অহিংসা ছিল, দুর্বলদের অহিংসা। গাঁধীর জন্য অহিংসা কখনই নিছক নীতি গ্রহণ করা বা ইচ্ছামতো বাদ দেওয়ার মতো ছিল না। এমনকী এটি প্রতিরোধের প্রস্তাবও ছিল না; এটি ছিল বিশ্বের একজন নৈতিক ব্যক্তি হয়ে ওঠার উপায়। অহিংসা ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ স্বেচ্ছাসেবকদের আচার-আচরণ তাঁর সামনে এই স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, ভারত অহিংসার পথ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নয় এবং অসহযোগ আন্দোলনের ধারাবাহিকতা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অসুখ-স্বরূপ। ফলস্বরূপ, তিনি আন্দোলন স্থগিত করার জন্য ১১-১২ ফেব্রুয়ারি গুজরাটের বারদোলিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বিজয়ী হন। তদুপরি, কমিটি 'চৌরি চৌরায় নৃশংসভাবে কনস্টেবলদের হত্যা এবং থানা পুড়িয়ে ফেলায় জনতার অমানবিক আচরণের নিন্দা জানিয়ে এবং শোকাহতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে একটি রেজ্যুলিউশন পাস করে।' 

এটা অবশ্য অনিবার্য ছিল যে গণ আইন অমান্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত সমালোচনার ঝড়ের মুখোমুখি হবে। তাঁর সমালোচকরা ঘোষণা করেছিলেন যে, যদিও সিদ্ধান্তটি কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি থেকে নেওয়া হয়েছে, তবে কোনও প্রশ্নই উঠতে পারে না যে গাঁধীর নির্দেশে এটি করা হয়েছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছিলেন, মহাত্মা তাঁর প্রথাগত কর্তৃত্ববাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

অন্য গুরুতর অভিযোগ ছিল যে, গাঁধী দুর্বল রায় দিয়েছেন: তিনি যদি জানতেন যে দেশ তাঁর পিছনে রয়েছে, তবে তাঁর এও জানা উচিত ছিল যে, ভারত স্বাধীনতার দোরগোড়ায় রয়েছে এবং কিছু জায়গায় ব্রিটিশ প্রশাসন কার্যত পঙ্গু হয়ে পড়েছে। জওহরলাল নেহেরু ১৯৪১ সালে তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন : 'আমি মনে করি, প্রায় সমস্ত বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা - অবশ্যই গাঁধীজি ছাড়া চৌরি চৌরার ঘটনার পরে আন্দোলনের আকস্মিক স্থগিতাদেশে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। আমার বাবা (যিনি তখন জেলে ছিলেন) এতে অনেক বিরক্ত হয়েছিলেন। অল্পবয়সীরা স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি বিক্ষুব্ধ ছিলেন।' বলা হয় যে, ভগৎ সিং, যার বয়স তখন ১৫ বছর ছিল, এই সিদ্ধান্তে ভেঙে পড়েছিলেন।

'আমি দেখতে পাচ্ছি যে আপনারা সবাই ভয়ঙ্করভাবে রেগে আছেন', গাঁধীজি জওহরলালকে লিখেছিলেন, 'ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্তের জন্য আমি আপনার এবং আপনার বাবার প্রতি সহানুভূতিশীল।' গাঁধী ব্যাখ্যা করেছেন কেন তিনি ১২ ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ দিনের উপবাস শুরু করেছিলেন এবং কেন তিনি 'প্রায়শ্চিত্য' করা প্রয়োজন বলে মনে করেন। তারপর তিনি সতর্ক করে দেন যে, গোরক্ষপুর জেলার সহিংসতা যেন না বিকৃতি হিসাবে দেখা হয়: 'চৌরি চৌরা সর্বোপরি একটি ক্রমবর্ধমান লক্ষণ। যে সমস্ত জায়গায় দমন-পীড়ন চলছে, সেখানে মানসিক বা শারীরিক কোনও সহিংসতা নেই বলে আমি কল্পনাও করিনি।' আধুনিক ভাষায়, সেখানে সহিংসতা একটি জেগে ওঠার আহ্বান ছিল: 'চৌরি চৌরার ট্র্যাজেডি সত্যিই সূচক। এটি দেখায় যে, ভারত কোন পথে যেতে পারে, যদি কঠোর সতর্কতা অবলম্বন না করা হয়।'

ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে এটি একটি মীমাংসিত বিষয় হিসেবে ধরা হয় যে, গাঁধী অসহযোগ আন্দোলন স্থগিত করার আহ্বান জানিয়ে একটি সর্বনাশা ভুল করেছিলেন। ঘটনার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরে, তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ ছড়ানোর অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল এবং ২০ মার্চ এক বিচারে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাঁকে ছয় বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল। কিছু বছর ধরে, গাঁধী জনসাধারণের থেকে অদৃশ্য হয়ে পড়েছেন বলে মনে হয়েছিল। এটা ছিল ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের আরও পঁচিশ বছর আগে এবং তাঁর হত্যাকারী এই কথা ভেবেছিলেন যে, ভারতীয় স্বাধীনতার কথিত-স্থপতি হয়তো স্বাধীনতাকে আরও পিছিয়ে দিয়েছেন। এটি অবশ্যই একটি বিরোধিতামূলক যুক্তি যে, গাঁধী যদি কংগ্রেসের উপর তাঁর ইচ্ছা চাপিয়ে না দিতেন এবং আইন অমান্য আন্দোলন স্থগিত করার জন্য চাপ না দিতেন তবে ভারত ১৯৪৭ সালের অনেক আগেই স্বাধীন হয়ে যেতে পারত। কিন্তু অন্য দৃষ্টিভঙ্গি কি সম্ভব? 

চৌরি চৌরা এবং কারাগার থেকে মুক্তির পরের বছরগুলিতে, গাঁধী ডান্ডি পদযাত্রার মাধ্যমে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কলহ-বিধ্বস্ত নোয়াখালিতে তাঁর সফর এবং কলকাতায় তাঁর উপবাসকে মহাকাব্যিক-জীবনের সবচেয়ে বীরত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। গান্ধী অসাধারণ সাহসী ছিলেন এবং রাজনীতিতে একটি নৈতিক ভিত্তি সুরক্ষিত করার জন্য বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। কিন্তু নৈতিক জীবন সম্পর্কে গাঁধীর উচ্চতর ধারণাকে একটি জাতির স্বার্থকে সামনে রাখার দিকে নেতৃত্ব দেয়নি। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, নিহত পুলিশ সদস্যদের বিধবাদের চোখের জল মুছতে কে প্রস্তুত ছিল ? এটা যুক্তি দেওয়া যেতে পারে যে, ভারত যদি উপনিবেশকরণের পথে থাকা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি গণতন্ত্রে টিকে থাকতে পারে এবং কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক শাসন বা সামরিক একনায়কত্বের দিকে ধাবিত না হতে পারে, তবে এই বিষয়টি গাঁধীর সাথে জড়িত। অহিংসার নীতিগত আনুগত্য এবং সেই যাত্রায় তিনি যেভাবে ভারতকে সঙ্গে নিয়েছিলেন তা মাধ্যমে। এইভাবে এটি 'চৌরি চৌরার অপরাধ' নয়, বরং চৌরি চৌরার অলৌকিক ঘটনা যা দেশের ইতিহাসের এই সঙ্কটময় মোড় নিয়ে ভাবতে বলে।

(ডিসক্লেমার : এই প্রতিবেদনের মতামত ব্লগার বিনয় লালের নিজস্ব। এটি এবিপি লাইভের মতামত নয়) 

সেরা শিরোনাম

Naseeruddin Shah: 'গর্বের সঙ্গে বলছি আমি দিমাগি নকশাল', বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ
'গর্বের সঙ্গে বলছি আমি দিমাগি নকশাল', বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ
UP MLC Election Results: MLC নির্বাচনে বারাণসী-লখনৌতে বিপর্যয় বিজেপির, '২৭-এর বিধানসভা ভোটের আগে ধাক্কায় উদ্বেগ
MLC নির্বাচনে বারাণসী-লখনৌতে বিপর্যয় বিজেপির, '২৭-এর বিধানসভা ভোটের আগে ধাক্কায় উদ্বেগ
MLC Polls Result : ব্যালট পেপারে ভোটের পরেও ৪ রাজ্যে MLC নির্বাচনে খাতাই খুলতে পারল না কংগ্রেস, খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর
ব্যালট পেপারে ভোটের পরেও ৪ রাজ্যে MLC নির্বাচনে খাতাই খুলতে পারল না কংগ্রেস, খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর
Abhijeet Dipke : ১ নভেম্বর ফের রাজপথে নামছে বিরোধী শিবির, সমর্থন জানাল ককরোচ জনতা পার্টি
১ নভেম্বর ফের রাজপথে নামছে বিরোধী শিবির, সমর্থন জানাল ককরোচ জনতা পার্টি

ভিডিও

WB Assembly News: দুই BJP প্রার্থীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত মমতা শিবিরের বলে পরিচিত দুই MLA
Indranil Sen Arrested: ED দফতর থেকে বেরোতেই গ্রেফতার Mamata Banerjee-ঘনিষ্ঠ ইন্দ্রনীল সেন | TMC
Indranil Sen: Durga Puja-কে সামনে রেখে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার ইন্দ্রনীল সেন
CM Suvendu Adhikari:
TMC News: বিধানসভার লবিতে কাজল শেখকে মিষ্টি খাওয়ালেন মমতা তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফের জল্পনা

ফটো গ্যালারি

ব্যক্তিগত কর্নার

সেরা প্রতিবেদন
সেরা রিল
Railways Recruitment: নিয়োগ হতে চলেছে ভারতীয় রেলে, কীভাবে আবেদন, কবে শেষ তারিখ, জেনে নিন
নিয়োগ হতে চলেছে ভারতীয় রেলে, কীভাবে আবেদন, কবে শেষ তারিখ, জেনে নিন
Nepal : আবার তুষারধসের আশঙ্কা? প্রবল তুষারপাত, ঝড়ের আতঙ্ক নেপালে ! ট্রেকিংয়ের অনুমতি স্থগিত
আবার তুষারধসের আশঙ্কা? প্রবল তুষারপাত, ঝড়ের আতঙ্ক নেপালে ! ট্রেকিংয়ের অনুমতি স্থগিত
Baloch Prince Kidnapped: বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে
বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে
Choosing Front Door Colour: সাদা, কালো, বাদামি, হলুদ…বাড়ির দরজার রং দেখেও মানুষ চেনা যায়
সাদা, কালো, বাদামি, হলুদ…বাড়ির দরজার রং দেখেও মানুষ চেনা যায়
Cyclone Arnab : আরও ভয়ঙ্কর হল ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব', বাড়ল হাওয়ার গতি, নিরাপত্তার খাতিরে বিরাট ব্যবস্থা রেলের, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর
আরও ভয়ঙ্কর হল ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব', বাড়ল হাওয়ার গতি, নিরাপত্তার খাতিরে বিরাট ব্যবস্থা রেলের, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর
Salary Account: কোনও ব্যাঙ্কে স্যালারি অ্যাকাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো
কোনও ব্যাঙ্কে স্যালারি অ্যাকাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো
Gold Walkway in Dubai: খাঁটি সোনার রাস্তা তৈরি করছে দুবাই, ২৪ ক্যারাট ছাড়া অন্য কিছু নয়, পৃথিবীতে এই প্রথম
খাঁটি সোনার রাস্তা তৈরি করছে দুবাই, ২৪ ক্যারাট ছাড়া অন্য কিছু নয়, পৃথিবীতে এই প্রথম
Microsoft Layoffs: সরাসরি না তাড়িয়ে ৬০০০০ কর্মীকে 'স্বেচ্ছায়' চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব, মানুষ ছেঁটে AI-তে টাকা ঢালতে চায় মাইক্রোসফ্ট
সরাসরি না তাড়িয়ে ৬০০০০ কর্মীকে 'স্বেচ্ছায়' চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব, মানুষ ছেঁটে AI-তে টাকা ঢালতে চায় মাইক্রোসফ্ট
Embed widget