Trump on Iran-Israel Conflict: 'ইরানের কাছে পরমাণু অস্ত্র রাখতে দেওয়া যাবে না,' তড়িঘড়ি মিটিং থেকে বেরিয়ে এলেন ট্রাম্প, যুদ্ধের আশঙ্কা?
Israel-Iran Crisis: হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন এক্স-এ জানিয়েছেন, 'অনেক কিছু হয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ডিনার সেরেই ফিরে আসবেন'।

নয়া দিল্লি: সোমবার হোয়াইট হাউস ঘোষণা করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডায় অনুষ্ঠিত গ্রুপ অফ সেভেন শীর্ষ সম্মেলন থেকে একদিন আগেই ফিরে যাচ্ছেন। দিন দিন বেড়েই চলেছে ইজরায়েল ও ইরানের সংঘর্ষের তীব্রতা। এহেন পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "আমাকে তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে হবে - স্পষ্ট কারণে"।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন এক্স-এ জানিয়েছেন, 'অনেক কিছু হয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ডিনার সেরেই ফিরে আসবেন'। ইতিমধ্যেই ট্রাম্প সকলকে যত দ্রুত সম্ভব তেহরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
কানাডায় G7 শীর্ষ সম্মেলনের মধ্যে, ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, 'ইরানকে আমি যে চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলেছিলাম সেটায় স্বাক্ষর করা উচিত ছিল। কী লজ্জাজনক এখনের পরিস্থিতি। মানুষের জীবনের অপচয়। সহজভাবে বলতে গেলে, ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে দেওয়া যায় না। আমি বারবার বলেছি। সকলের অবিলম্বে তেহরান ত্যাগ করা উচিত!'
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষবিরতি নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত মনে করছেন তিনি। ম্যাক্রোঁ বলেছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছেন।
"Iran should have signed the “deal” I told them to sign. What a shame, and waste of human life. Simply stated, IRAN CAN NOT HAVE A NUCLEAR WEAPON. I said it over and over again! Everyone should immediately evacuate Tehran!" –President Donald J. Trump pic.twitter.com/oniUSgsMWA
— The White House (@WhiteHouse) June 16, 2025
এদিকে, পশ্চিম এশিয়ার আকাশে ক্রমশ ঘন হচ্ছে মহাযুদ্ধের মেঘ। দিন দিন বেড়েই চলেছে ইজরায়েল ও ইরানের সংঘর্ষের তীব্রতা। এমনকী তেহরানে লাইভ নিউজ চলাকালীন সংবাদমাধ্যমের অফিসেও আছড়ে পড়েছে ইজরায়েলের মিসাইল। শুক্রবার ইরানের পরমাণু কেন্দ্র ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে প্রথমে এয়ার স্ট্রাইক করে ইজরায়েল। পাল্টা ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইলে জবাব দেয় ইরান। এর জেরে ইরানে এখনও পর্যন্ত ২৩০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। চারদিন ধরে দু'পক্ষের হামলা, পাল্টা হামলা চলছে, বাড়ছে মৃত্যু মিছিলও।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন সবটাই নির্ভর করছে আমেরিকার ভূমিকার উপর। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘দূরত্ব’ বজায় রাখবেন না কি সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেবেন, তার উপরেই নির্ভর করছে ইরান-ইজ়রায়েল সংঘাত কত দিন জারি থাকবে।






















