Jammu And Kashmir Police Killed: ২ লস্কর জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তাবাহিনী, অনন্তনাগে পুলিশের মৃত্যুর পরেই বড় পদক্ষেপ
Anantanag Policeman Murdered: জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, হারুন এবং আদিল, দু'জনেই ২০১৮ সাল থেক সক্রিয়ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত।

জম্মু ও কাশ্মীর : জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগে বাজারের মধ্যে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছেন হেড কনস্টেবল আশিক হুসেন কুরেশি (৩৫)। ইতিমধ্যেই এই জঙ্গি হামলার পর থেকে উপত্যকার সর্বত্র চলছে তল্লাশি অভিযান। ২০০০- এর বেশি সন্দেহভাজনকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। এবার ২ জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তাবাহিনী। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় বাজারের মধ্যে, যথেষ্ট ভিড়যুক্ত এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে এক পুলিশকর্মীকে খুন করেছে জঙ্গিরা। এই ঘটনার পরের দিনই ২ জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী।
VIDEO | Jammu and Kashmir: Security forces demolish the houses of two suspected LeT terrorists, Aadil Thokar and Haroon Ganai, a day after a lone terrorist shot dead a head constable deployed on Amarnath Yatra security duty in Anantnag.
— Press Trust of India (@PTI_News) July 23, 2026
(Full video available on PTI Videos -… pic.twitter.com/enlG2YY3mg
ভিড়ে ঠাসা বাজারের মধ্যেই জঙ্গি হামলা, চোখের নিমেষে গুলিতে ঝাঁঝরা জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশকর্মী
আদিল আহমেদ ঠোকার, যাকে লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তার বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শক্তিশালী বিস্ফোরণের সাহায্যে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ঠোকার পরিবারের বাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত বছর এপ্রিল মাসে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার গুরি গ্রামে থাকা ঠোকার পরিবারের বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই ঘটনার পর নতুন একটি বাড়ি বানিয়েছিল ওই পরিবার। কয়েকমাস আগেই সেখানে থাকা শুরু করেছিল তারা। বুধবার রাতে বাড়ি ভেঙে দেওয়ার আগে পরিবারের সদস্যদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলা হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
এই অভিযান ছাড়াও, আরেকটি অভিযানে হারুন রশিদ নামে এক লস্কর জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, হারুন এবং আদিল, দু'জনেই ২০১৮ সাল থেক সক্রিয়ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, স্থানীয়স্তরে জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগদান প্রায় শূন্যতে এসে ঠেকেছে। অর্থাৎ আগে যেভাবে স্থানীয় কিশোর-যুবকদের জোর করে জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত করানো হত, চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে তা অনেকটাই কমেছে, বলা ভাল প্রায় শূন্যতে নেমে এসেছে। তবে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের সাহায্যে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসবাদী এখনও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যদিও তাদের সংখ্যা খুবই কম। এবার তাদেরকেও চিরতরে শেষ করে দিতে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী।























