এক্সপ্লোর
পায়ে কামড়, কুকুরকে গুলি পুলিশের, রিপোর্ট তলব ক্ষুব্ধ মানেকার

নয়াদিল্লি: পায়ে কামড়ানোর জন্য কুকুরকে গুলি করার অভিযোগ উঠল পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনার রিপোর্ট তলব করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গাঁধী। খবরে প্রকাশ, উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের চিনহাট থানার অন্তর্গত আদর্শ নগরের বাসিন্দা সাব-ইনস্পেক্টর মহেন্দ্র প্রতাপ কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য বরাবাঁকিতে যাচ্ছিলেন। এমন সময় রাস্তায় একটি কুকুর তাঁর পায়ে দাঁত বসিয়ে দেয়। রাগে বাড়ি ফিরে সার্ভিস রাইফেল বের করে কুকুরকে গুলি করে বসেন তিনি। প্রতিবাদে স্থানীয়রা ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে, থানা তা নিতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়চড়ে বসে বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠন। তারা ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি তোলেন। কেন্দ্রের পশুকল্যাণ পর্ষদের মনোনীত সদস্য কামনা পাণ্ডে গোটা বিষয়টি জানান কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মানেকা গাঁধীকে। এরপরই, চিনহাট থানা থেকে এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন ‘পশুপ্রেমী’ বলে পরিচিত মানেকা। এদিন কামনা জানান, থানায় এফআইআর করার চেষ্টা হলেও, পুলিশকর্মী বলে থানা তা নিতে অস্বীকার করে। তিনি আরও জানান, ওই গুলি যদি কোনও পথচলতি মানুষের লাগত? ওই ঘটনার পর কুকুরটিকে দেখা যায়নি। অভিযোগ করা হচ্ছে যে, কুকুরটি পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু, কুকুরটি যে মারা যায়নি, তারও প্রমাণ নেই। যদিও, চিনহাট থানার স্টেশন অফিসার সুরেন্দ্র কাটিয়ারের পাল্টা অভিযোগ, পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, তখন কেউ-ই ছিলেন না। “...কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়, তা বলে কুকুরে কামড়ানো কিরে মানুষের শোভা পায়?” কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ‘উত্তম-অধম’ কবিতার এই অমর পংক্তিটি হয়ত কখনও শোনেননি মহেন্দ্র প্রতাপ।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি























