আবেদনে সাড়া দিয়ে অন্তঃসত্ত্বা ‘ধর্ষিতাকে’ অভিযুক্তের বাড়ি পাঠাল হাইকোর্ট

আমদাবাদ: তাঁর ‘ধর্ষককে’ তিনি ভালবাসেন। তার সন্তানের জন্ম দিতে চান তিনি। আদালতে দাঁড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা যুবতীর এই আবেদনে সাড়া দিয়ে তাঁকে অভিযুক্তের বাড়িতে থাকার অনুমতি দিল গুজরাত হাইকোর্ট।
আনন্দ জেলার পুলিশকে বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘ধর্ষিতা’ যুবতীকে অভিযুক্তের বাড়ি পৌঁছে দিতে। একইসঙ্গে, মাহিসাগর জেলার সমাজ কল্যাণ আধিকারিককে তাঁর নির্দেশ, যুবতী যাতে নিরাপদে সন্তানের জন্ম দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে। রাজ্য প্রশাসনকেও আদালত নির্দেশ দিয়েছে, জন্মের পর শিশুর স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিতে।
এর আগে, গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন যুবতী। কিন্তু, সেই সময় তাঁর গর্ভাবস্থা ২৪-সপ্তাহ পার করায় আদালত সেই অনুমতি দেয়নি। বিচারক জানিয়েছিলেন, ২০-সপ্তাহের পর ভ্রূণ-হত্যা আইনে অবৈধ।
এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করেছিলেন ‘ধর্ষিতা’। শুনানিতে বিচারপতির সামনে যুবতী জানান, তিনি তাঁর ‘ধর্ষককে’ ভালবাসেন। তার বাড়িতে থেকে তার সন্তানের জন্ম দিতে চান। অভিযুক্ত যুবকও এদিন হাজির ছিল আদালতে। সেও আশ্বাস দেয়, যুবতী ও তাঁর শিশুর দায়িত্ব সে নিতে রাজি।
২০১৬ সালের ১৭ মে, যুবতীর মা থানায় নিরুদ্দেশ ডায়েরি করে। তদন্তে নেমে পুলিশ যুবতী ও অভিযুক্ত অশ্বিনের খোঁজ পায়। সেই সময় যুবতী অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। ফলে, অপহরণ ও ধর্ষণ এবং পকসো আইনের ধারায় মামলা রুজু করা হয় অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে।






















