আলোচনার দরজা সকলের জন্য খোলা, জানালেন কাশ্মীরে নিযুক্ত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দীনেশ্বর

নয়াদিল্লি: ঠিক যেন বৃত্তের সম্পূর্ণ হওয়া। ২৫ বছর আগে, কেন্দ্রের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) কর্তা হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীরেই প্রথম পোস্টিং পেয়েছিলেন দীনেশ্বর শর্মা। এখন অবসরের পর ফের ফিরে যাচ্ছেন সেই উপত্যকায়। এবার কেন্দ্র নিযুক্ত বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে।
১৯৯২ সালের মে মাস। সন্ত্রাসবাদ একেবারে চরমে। সেই সময় শ্রীনগরে এসেছিলেন ৩৬ বছরের দীনেশ্বর। রাজধানীতে আইবি হেডকোয়ার্টার্সে প্রথামিফিক প্রশিক্ষণের পরই তাঁকে প্রথমেই পাঠানো হয়েছিল উপত্যকায়।
কেরল-ক্যাডারের এই অফিসার ১৯৯২ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত আইবি-র অতিরিক্ত ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ফিরে গিয়ে দিল্লিতে কাশ্মীর ডেস্ক-এর নেতৃত্বে দেন তিনি। পরবর্তীকালে, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন এই গোয়েন্দা সংস্থার মাথায়। এবার, সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে শান্তি আলোচনায় অংশ নেবেন।
দীনেশ্বর জানান, এটা তাঁর কাছে ঘরে ফেরার সামিল। প্রাক্তন আইবি কর্তা বলেন, আমি আশাবাদী, দেশবাসী ও সরকারের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব। বর্তমানে, অসমের জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনার দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন ৬১ বছরের দীনেশ্বর। জানান, নতুন চ্যালেঞ্জ পেয়ে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
দীনেশ্বের জানান, আগে পরিস্থিতি অনেকটাই প্রতিকূল ছিল। তবে, এখন তা পাল্টেছে। তাঁর আশা, সকলে মিলে একসঙ্গে উপত্যকায় শান্তি স্থাপন করতে সক্ষম হবেন। কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এপ্রসঙ্গে দীনেশ্বর বলেন, রণকৌশল তৈরি হচ্ছে। আমি সকলের সঙ্গেই কথা বলতে রাজি, যারা উপত্যকায় চিরস্থায়ী শান্তি আনতে প্রস্তুত। তিনি যোগ করেন, কাশ্মীরে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাকেই অগ্রাধিকার দওয়া হবে। আমার দরজা সকলের জন্য খোলা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতাকে উল্লেখ করে দীনেশ্বর জানান, প্রধানমন্ত্রীর তৈরি করা লক্ষ্যেই এগোতে হবে। তিনি বলেছেন, কাশ্মীরিদের কাছে টেনে নিতে হবে যাতে সেখানে চিরস্থায়ী শান্তি থাকে।






















