এক্সপ্লোর
বাস্তু অনুযায়ী উপযুক্ত বাংলো না পাওয়ায় রোজ ৩৪০ কিমি যাতায়াত করেন কুমারস্বামীর দাদা!

ছবি সৌজন্যে এএনআই
বেঙ্গালুরু: বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী উপযুক্ত সরকারি বাংলো না পাওয়ায় রোজ বেঙ্গালুরু থেকে হোলেনরসিপুরা যাতায়াত করছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর দাদা পূর্তমন্ত্রী এইচ ডি রেবান্না। বাড়ি থেকে দফতর পর্যন্ত তাঁকে রোজ ৩৪০ কিমি পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। রাতে বাড়ি পৌঁছে ভোর পাঁচটায় উঠে তৈরি হয়ে পাঁচটি মন্দিরে পুজো দিয়ে লোকজনের অভাব-অভিযোগের কথা শুনে ঠিক আটটায় দফতরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। এটাই এখন তাঁর রোজনামচা। বাবা এইচ ডি দেবেগৌড়া রোজ এতটা পথ যাতায়াত করতে বারণ করলেও, শুনতে নারাজ রেবান্না। কর্ণাটকের এই মন্ত্রী অবশ্য বাস্তুর কারণে হোলেনরসিপুরা থেকে বেঙ্গালুরু যাতায়াত করার কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ‘আমার জন্ম স্বাতী নক্ষত্রে। ফলে আমার উপর বাস্তু কাজ করে না। এমনকী, কালো জাদুও আমার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। সরকার যদি আমাকে একটি বাড়ি দিত, আমি অবশ্যই বেঙ্গালুরুতে থাকতাম। কিন্তু বিধায়কদের কোয়ার্টারেও আমাকে জায়গা দেওয়া হয়নি। আমাকে যেখানে থাকতে দেওয়া হবে সেখানেই থাকব। বাড়ি না পাওয়াতেই আমাকে রোজ ৩৪০ কিমি যাতায়াত করতে হয়।’ রেবান্না আরও জানিয়েছেন, ‘বিধায়কদের বাসভবনে আমার জন্য যে কোয়ার্টার বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেটি তালাবন্ধ অবস্থায় রয়েছে। আমার জন্য যে বাংলো বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেটিতে এখনও আছেন প্রাক্তন পূর্তমন্ত্রী এইচ সি মহাদেবাপ্পা। তিনি বাংলো খালি না করা পর্যন্ত সেখানে অন্য কারও পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। আমরা কাউকে জোর করে সরিয়ে দিতে পারি না। রোজ এতটা পথ যাতায়াত করার ফলে আমার সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং শরীরের ব্যথা কমে।’ রেবান্না কুসংস্কারের কথা অস্বীকার করলেও, বাস্তু ও ঐশ্বরিক ক্ষমতার প্রতি দেবেগৌড়া পরিবারের বিশ্বাস কারও অজানা নয়। কুমারস্বামীর শপথগ্রহণের আগে পরিবারের সবাই তিরুপতি সহ বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। কয়েকদিন আগেই হাসান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের মহিলা হস্টেলের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে ভুল দিকে মুখ করে পুজো করায় এক পুরোহিতকে তিরস্কার করেন রেবান্না।
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















