মুম্বইয়ে বহুতল ধসে পড়ার ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ১৪, পুর-কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি
বিপজ্জনক বিল্ডিংগুলিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের জীবন বাঁচাতে উদ্যোগী হয়েছেন তথ্য অধিকার আন্দোলন কর্মীরা। অনেকে এই মর্মে একটি পৃথক টাস্ক ফোর্স গঠন করার দাবি করেছেন।

মুম্বই: মুম্বইয়ের চার তলা বাড়ি ধসে পড়ার ঘটনায় পুর-আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি তুললেন সমাজকর্মীরা। মঙ্গলবার, দক্ষিণ মুম্বইয়ের ডোংরিতে একটি বাড়ি ধসে পড়ে। এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মঙ্গলবারের ঘটনার অব্যবহিত পরই, বিভিন্ন চিঠি প্রকাশ করে বিএমসি ও এমএইচএডিএ দাবি করেছে, তারা কেসরবাই বিল্ডিং নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেছিল, কিন্তু, কিছু করে উঠতে পারেনি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার যে বাড়িটি ধসে পড়েছে, তা কেসরবাই-এর পাশের বাড়ি। এধরনের বিপজ্জনক বিল্ডিংগুলিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের জীবন বাঁচাতে উদ্যোগী হয়েছেন তথ্য অধিকার আন্দোলন কর্মীরা। অনেকে এই মর্মে একটি পৃথক টাস্ক ফোর্স গঠন করার দাবি করেছেন। অনেকে মুম্বই পুর কমিশনারকে চিঠি দিয়ে শহরে এধরনের ৪৯৯টি বিপজ্জনক বাড়ি চিহ্নিত করে তা অবিলম্বে ধ্বংস করার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যদিকে, বহুতলের সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধিকে আরও কঠোর করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সওয়াল তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ফি-বছর বিশেষ করে বর্ষার সময় বহুতল থেকে শুরু করে ফুট ওভারব্রিজ ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে। এধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব, যদি সুরক্ষা বিধি সঠিকভাবে পালন করা হয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের গোড়ায় শহরে দেওয়াল ধসে ২০ জনের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে এখনও অনেকে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকার্য। নিহতদের নিকটাত্মীয়দের ৫ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফঢ়ণবীশ। তিনি এ-ও জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করবে মহারাষ্ট্র সরকার।






















