NCERT Piracy: নকল NCERT-র বই বেচে ২.৪ কোটি আয় ! বাবা-ছেলের জালিয়াতির পর্দাফাঁস
NCERT Piracy Racket: পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ মে তাদের কাছে খবর আসে যে শাহদরার কাছে মাণ্ডোলি রোডে এনসিআরটির নকল বই বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

নয়াদিল্লি: এনসিআরটির বই জাল করে একটি বড়সড় জালিয়াতির চক্র চালাচ্ছিলেন বাবা-ছেলে মিলে। ২.৪ কোটির জালিয়াতি করেছেন তারা। নকল বই বিক্রি করছিলেন তারা বহুদিন ধরে এবং সম্প্রতি দিল্লি পুলিশ বাবা-ছেলে দুজনকেই গ্রেফতার (NCERT Piracy) করেছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট ১.৭ লক্ষ নকল এনসিআরটির বই উদ্ধার করা হয়েছে। খানাতল্লাশি চালিয়েছিল দিল্লি পুলিশ আর তাতেই এই ব্যাপক জালিয়াতির চক্র ফাঁস হয়।
পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ মে তাদের কাছে খবর আসে যে শাহদরার কাছে মাণ্ডোলি রোডে এনসিআরটির নকল বই বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। অনৈতিকভাবে এই নকল বই ছাপা চলছে। এই সূত্র পেয়ে তদন্ত তৎক্ষণাৎ তদন্ত শুরু করে দিল্লি পুলিশ। সেই দোকানে (NCERT Piracy) তল্লাশি চালায় পুলিশ, অভিযুক্তকে আটক করা হয়। সেই দোকানটিই চালাতেই বাবা-ছেলে মিলে। বাবার নাম জানা গিয়েছে প্রশান্ত গুপ্তা, বয়স ৪৮ আর তাঁর ছেলের নাম নিশান্ত গুপ্তা, বয়স ২৬। শাহদরার ডিসিপি প্রশান্ত প্রিয়া গৌতম এই দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে পাকড়াও করেছে।
এনসিআরটি আধিকারিকদের সঙ্গে সমগ্র পুলিশ টিম এসে এই দোকানটিতে তল্লাশি চালিয়েছিল, দেখা যায় সেই দোকানে নকল দ্বাদশ শ্রেণির এনসিআরটি সমাজবিজ্ঞানের বই বিক্রি করা হচ্ছিল, নকল করা স্বাক্ষর এবং প্রাইস ট্যাগ লাগানো ছিল এই বইতে। বাবা ও ছেলে দুজনেই গ্রেফতারির পরে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে, আলিপুরের কাছে হিরাঙ্কিতে একটি গোডাউন থেকে এই বই সংগ্রহ করেছিলে তারা। হিরাঙ্কির সেই ওয়্যারহাউজে পরে তল্লাশি চালায় পুলিশ, সেখান থেকেই এক লপ্তে ১.৬ লক্ষ নকল এনসিআরটির বই বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এনসিআরটি আধিকারিকরা এই বইগুলি পরীক্ষা করে জানিয়েছে যে এগুলি সবই নকল।
ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩১৮ নং ধারা এবং কপিরাইট আইনের ৬৩-৬৫ নং ধারার অধীনে প্রশান্ত গুপ্তা এবং নিশান্ত গুপ্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে বিগত ২৫ বছর ধরে এই বইয়ের ব্যবসা চালাচ্ছিলেন প্রশান্ত গুপ্তা নামের সেই ব্যক্তি, তবে ৫ বছর আগে থেকে তাঁর ছেলে নিশান্ত গুপ্তা এই বইয়ের ব্যবসায় যোগ দিয়েছিলেন। সহজে বেশি মুনাফার আশায় এই দুই ব্যক্তি তাদের সাপ্লায়ারের কাছ থেকে নকল বই কিনে বিক্রি করা শুরু করেছিলেন।
দিল্লি পুলিশ বর্তমানে তাদের পরিকাঠামো এবং নজরদারি আরও উন্নত করে চলেছে যাতে এনসিআরটির বই জাল করা আটকানো যায়, এই নকল বই বিক্রি, বিপণনের সমগ্র শৃঙ্খলটি খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। অবৈধ ছাপাখানা, পরিবহন মধ্যস্থতাকারী, পাইকারি পরিবেশক এবং বিক্রেতা এই চক্রের সঙ্গে সকলেই জড়িত।






















