ED Deputy Director Arrested: দুর্নীতি মামলা থেকে রেহাইয়ের প্রতিশ্রুতি, খাদান মালিকের থেকে ঘুষ নিয়ে ধরা পড়লেন ED-র শীর্ষ আধিকারিক
Bhubaneswar News: ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে এই হাই-প্রোফাইল মামলা সামনে এসেছে।

ভুবনেশ্বর: মোটা টাকা ঘুষ নেওয়ার দায়ে এবার গ্রেফতার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) শীর্ষ আধিকারিক। ২০ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ED-র ডেপুটি ডিরেক্টর চিন্তন রঘুবংশীর বিরুদ্ধে। তাঁকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI). ঘুষ নেওয়ার মুহূর্তে, হাতেনাতে তাঁকে ধরা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দুর্নীতির তদন্তের দায়িত্ব যাদের হাতে, সেই ED-র আধিকারিক ঘুষ নেওয়ার দায়ে গ্রেফতার হওয়ায় তদন্তকারী সংস্থার ভাবমূর্তি নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। (ED Deputy Director Arrested)
ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে এই হাই-প্রোফাইল মামলা সামনে এসেছে। ২০১৩ সালের Indian Revenue Services ব্যাচের অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন রঘুবংশী। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ছিলই। হাতেনাতে ধরতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা ফাঁদ পাতেন। আর তাতেই খাদান ব্যবসায়ীর থেকে ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় ধরা পড়ে যান। CBI-এর আইনজীবী জানিয়েছেন, খাদান ব্যবসায়ীর থেকে মোট ২ কোটি টাকা চেয়ে ছিলেন রঘুবংশী। প্রথম কিস্তি বাবদ ২০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় তাঁকে। (Bhubaneswar News)
CBI-এর আইনজীবী বলেন, "ED-র ডেপুটি ডিরেক্টর (গ্রেফতার হওয়া আধিকারিক) ঘুষ চেয়েছিলেন। মোট ২ কোটি টাকা ঘুষ চান উনি, তার মধ্যে ২০ লক্ষ টাকা হাতে পান। আমরা ওঁকে গ্রেফতার করেছি। বিচারবিভাগীয় হেফাজত হয়েছে। আপাতত জেলে পাঠানো হয়েছে।" আপাতত ১৪ দিনের হেফাজত হয়েছে তাঁর। তিনি জামিনের আবেদন জানিয়েছেন। সেই মর্মে এখনও শুনানি হয়নি।
CBI সূত্রে জানা যাচ্ছে, ED-র শীর্ষস্তরের অফিসারদের অনেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিযোগ রয়েছে তাদের কাছে। সেই মতোই বৃহত্তর তদন্ত শুরু হয়েছে। আর তার আওতাতেই গ্রেফতার হন রঘুবংশী। তাঁকে আদালতে তোলা হয়। ডাক্তারি পরীক্ষাও হয়েছে তাঁর। রঘুবংশীর তরফে আদালেত সওয়াল করেন আইনজীবী সিদ্ধান্ত মোহান্তি। জামিনের আবেদন তিনিই জমা দেন। আইনজীবী সিদ্ধান্ত সংবাদমাধ্যমে বলেন, "দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারায় মামলা হয়েছে। ৪ জুন শুনানি রয়েছে আদালতে। এই সময়ে তদন্ত জারি থাকবে।"
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, খাদান ব্যবসায়ী রতিকান্ত রাউতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চলছে। সেই তদন্তের ভার রয়েছে ED-র হাতেই। তাঁকে নিষ্কৃতি দিতে ঘুষ চেয়েছিলেন রঘুবংশী। প্রথমে ৫ কোটি টাকা দাবি করেন তিনি। পরে রফা হয় ২ কোটিতে। বৃহস্পতিবার প্রথম কিস্তির টাকা নেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো ওতপেতে ছিলেন CBI গোয়েন্দারা।
জানা যাচ্ছে, পাথরের খাদান-সহ বিরাট ব্যবসা রয়েছে ব্যবসায়ী রাউতের। ২০২০ সালে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের হয়। চলতি মাসের জানুয়ারি মাসে তাঁর সম্পত্তিত তল্লাশি অভিযানও চলে। মার্চ মাসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। সেই মতো হাজিরা দিতে গেলে রঘুবংশী রাউতকে নিজের কেবিনে ডাকেন বলে অভিযোগ। জানান, টাকা দিলে মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে যাবেন তিনি। সেই মতো শুরু হয় দরাদরি।






















