Ops Ghost SIM: ভারতের নম্বর ব্যবহার করে দেদার হোয়াটসঅ্যাপ! দেশে বসেই পাকিস্তানকে সাহায্য করছিল এই ৭ জন?
India Pakistan Tension: ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্যবহারে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) শেয়ার করে পাকিস্তানে বসেই এদেশে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করতে সাহায্য করে চলেছিলেন।

নয়া দিল্লি: পাকিস্তানের হয়ে ভারতে থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে এক ইউটিউবার। এরই মধ্যে আসাম থেকেও সাতজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানি নাগরিকদের ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্যবহারে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) শেয়ার করে পাকিস্তানে বসেই এদেশে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করতে সাহায্য করে চলেছিলেন। আসাম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেফতার করেছে ৭ জনকে। দেশজুড়ে সাইবার অপরাধ চালাতে থাকা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে ভুতুড়ে সিম কার্ড চক্র উৎখাতের উদ্দেশে সেনাবাহিনী ও আসাম পুলিশ ‘অপারেশন ঘোস্ট’ শুরু করেছিল আসামে।
আসাম পুলিশের ডিজি হরমিত সিং সাংবাদিকদের বলেন যে গজরাজ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "গজরাজ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স থেকে আমরা প্রথম ইনপুট পেয়েছি যে তারা বেশ কয়েকজন লোককে খুঁজে পেয়েছে যারা ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য পাকিস্তানের লোকেদের কাছে ওটিপি পাঠাচ্ছিল।"
#WATCH | Guwahati | Assam police arrested 7 people who were helping people from Pakistan to use WhatsApp from Indian numbers by sharing OTPs.
— ANI (@ANI) May 17, 2025
Assam DGP Harmeet Singh says, "We got the first input from Gajraj Military Intelligence that they had stumbled on a number of people who… pic.twitter.com/QxxG0KsisH
তিনি আরও বলেন, “গত অনেক দিন ধরে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। ১৪ তারিখে, STF-তে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছিল এবং #OperationGhostSIM চালু করা হয়েছিল। সেই অভিযানের অংশ হিসেবে, দলগুলিকে রাজস্থান, হায়দরাবাদেও পাঠানো হয়েছিল। ১৬ তারিখ বিকেলে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনকে ভরতপুর এবং আলওয়ার এবং একজনকে গুয়াহাটি বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। এই সিম কার্ডগুলি কেবল সাইবার অপরাধের জন্যই নয়, দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্যও ব্যবহার করা হয়েছিল। স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে এই নম্বরগুলি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহার করার জন্য পাকিস্তানের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করা হয়েছিল।'
আরও জানা যায়, অসমে এমন একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে যারা ভুয়ো, বেনামি সিমের ব্যবসার পাশাপাশি পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গেও জড়িত। ইউএপিএ আইনের ধারা ১৮ এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ধারা ৬৬-র অধীনে তদন্তে নামে এসটিএফ।
এদিকে, পাঞ্জাব-হরিয়ানা থেকে ১ মহিলা-সহ ৬ পাক 'গুপ্তচর' গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ২০২৩-এ পাকিস্তানে গিয়েছিলেন ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্র। ভিসার জন্য দিল্লিতে পাক হাই কমিশনে গিয়েছিলেন জ্যোতি। পাক হাই কমিশনের কর্মী এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিলেন। জ্যোতিকে পাকিস্তানে থাকা-ঘোরার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন দানিশ। সে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ISI-র কাছে পাচার করেছে, এমনই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ইউটিউবারকে।






















