Paper Leak Protest: শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা নিয়ে ভাবনাচিন্তার জন্য় কাল পর্যন্ত সময়, সরকারপক্ষ-CJP বৈঠকে আর কী ঠিক হল?
CJP Protest: আজ জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দু'য়েক বৈঠক সারেন CJP-র আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। বৈঠক পরে CJP-র মুখপাত্র জানান তাঁদেj দুইটি দাবি সরকারপক্ষের তরফে মেনে নেওয়া হয়েছে।

নয়াদিল্লি: প্রশ্ন-ফাঁস কাণ্ডের (Paper Leak Protest) আন্দোলনে উত্তাল রাজধানী। এরই মাঝে আজ দ্বিতীয়বার সরকার পক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র (CJP) প্রতিনিধিরা। CJP-র প্রতিনিধিরা আজ বৈঠকের পর জানিয়েছেন সরকারের সামনে তাঁরা নিজেদের দাবি দাওয়া পেশ করেছেন। স্পষ্টভাবেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি চাওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে খানিকটা সময় চাওয়া হয়েছে। কাল ফের সরকার এবং-CJP-র বৈঠক হবে।
আজ জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দু'য়েক বৈঠক সারেন CJP-র আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। বৈঠক পরে CJP-র মুখপাত্র আশুতোষ জানান তাঁদের তরফে করা দুইটি দাবি মূলত সরকারপক্ষের তরফে মেনে নেওয়া হয়েছে। CJP-র তরফে আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং যারা আন্দোলন করছে তাঁদের কারুর বিরুদ্ধে যেন কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, এই দুই দাবিই প্রাথমিকভাবে মেনে নিয়েছে সরকার।
আশুতোষ বলেন, 'সরকারের তরফে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের আমাদের যে দাবি, সেই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করার জন্য কাল বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছে। আশা করছি সরকারের তরফে ওঁকে দ্রুতই অপসারিত করা হবে। সরকারের তরফে আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং (আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে) করা এফআইআর প্রত্যাহার, প্রাথমিকভাবে দুই দাবিতে সম্মতি জানানো হয়েছে।'
পরবর্তীতে তিনি আরও যোগ করেন, 'সবথেকে বিস্তারিত চর্চা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ঘিরেই হয়। সরকারের তরফে অনেক কিছু পাল্টা যুক্তি দেওয়া হয়। তবে আমরা শুধু একটাই কথা জানতে চাই যে ওই ২১ জন বাচ্চা যারা এই নিট পেপার লিকের জন্য আত্মঘাতী হয়, তাঁদের জীবনের দায় কে নেবে? আমরা স্পষ্টভাবে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছি যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার বিষয়টি একেবারেই আলোচনা-সাপেক্ষ নয়।'
আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস আরও জানান, 'সকলের মতামত নিয়ে যে পাঁচ পয়েন্ট নীতি ডিমান্ড চার্টার আমরা তৈরি করেছি, সেই বিষয়েও যেন সরকার ভাবনাচিন্তা করে এবং সেই নিয়েও যেন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। তবে প্রথম তিনটি মূল দাবি মেনে নেওয়ার পরেই সেই নিয়ে আলোচনা হবে। এর পাশাপাশি কাল থেকে দিল্লি পুলিশ যে তরুণদের দেখলেই আটক করছে, উদাহরণস্বরূপ কাল রাতে নিজামঊদ্দিনের দিকে তিনজন বাচ্চা খাবার আনছিল, ওদেরকেও পুলিশ আটক করে নেয়, পুলিশ স্টেশনে রাখে। আমরা প্রশ্ন করলে ওদের পুলিশ ছেড়ে তো দেয়, কিন্তু খাবারটা আর ফেরত দেয়নি। এমন বহু ঘটনা ঘটছে দিল্লিতে। ওঁরা এটা স্বীকার করেননি তবে আমরা এমন ঘটনা হচ্ছে বলায়, ওঁরা আশ্বাস দেন যে এমন কিছু ঘটলে এরপর থেকে আর হবে না।'






















