Ram Temple Donation Row: অযোধ্যার রামমন্দিরের কোটি কোটি টাকা গায়েব! তদন্ত শুরু হল, ব্রিজভূষণ বললেন, ‘সময় এলে বলব’
Ayodhya Ram Mandir Donation Row: রামমন্দিরের কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ। তদন্তের জন্য SIR গড়ল উত্তরপ্রদেশ সরকার।

কলকাতা: অযোধ্যার রামমন্দিরের কোটি কোটি টাকা লুঠের অভিযোগ। সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব রামন্দিরের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই নিয়ে এবার পুলিশি তৎপরতা শুরু হল। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের SIT গড়ল উত্তরপ্রদেশ সরকার। (Ayodhya Ram Mandir Donation Row)
রামমন্দিরকে উৎসর্গ করে দেওয়া দানে টাকা থেকে কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুসারে, প্রায় ৭ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। রামমন্দিরের এক কর্মীর রুদাউলির বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই ১০-১২ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা গিয়েছে বলে খবর। বাকি টাকা কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। (Ram Temple Donation Row)
রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র গত পাঁচ দিনে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার অযোধ্যা পৌঁছন। তিনি বিতর্ক থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। জানিয়েছেন, তিনি শুধুমাত্র রামমন্দির নির্মাণকার্য দেখার দায়িত্বে ছিলেন। তবে লবকুশ মিশ্র নামের রামমন্দিরের কর্মীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। টাকা উদ্ধারের সময় অযোধ্যা পুলিশের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।
আরও পড়ুন: ১৮ ঊর্ধ্বদের আর আধার দেওয়া হবে না, সিদ্ধান্ত হিমন্ত বিশ্ব সরকারের
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আগে গাড়ির মেকানিক ছিলেন লবকুশ। কোনও ভাবে রামমন্দির প্রশাসনে চাকরি জুটে যায়। এর পরই তাঁর অবস্থা ফিরতে থাকে। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। তার পরই SIT গঠন করা হল বলে খবর। রামমন্দিরের দুই কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা দানের টাকা গুনতেন বলে জানা গিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাঁদের। তাঁদের বেতন ছিল ১৮ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে।
সূত্রের খবর, ওই দু’জন সম্প্রতি ১.৫ কোটি টাকার একটি জমি কেনেন। আর একজন জমি কেনেন ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে। অযোধ্যার পুরোহিতরাও গোটা ঘটনায় তদন্তের দাবি তুলেছেন। এর নেপথ্যে প্রভাবশালী সংযোগও উঠে আসছে। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী পবন পান্ডে জানিয়েছেন, রামমন্দির থেকে প্রায় ৫-৭.৫ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: নীরব মোদির ১৪০০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি, পঞ্জাব ব্যাঙ্কের অধিকারিকদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেল না CBI
এই আবহে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ। তাঁর বক্তব্য, “আমি ছোটখাটো মানুষ। সত্যি কথা বললে সমস্যায় পড়ব। ওরা অনেক ক্ষমতাশালী লোকজন। এখন সত্য বলার সাহস পাচ্ছি না। কখনও সময় এলে বলব।” ক্ষমতাশালী বলতে কাদের বুঝিয়েছেন তিনি, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। রামমন্দিরের টাকার অপব্যবহার হয়েছে, টাকা চুরি গিয়েছে বলে সরাসরি দাবি করেছেন তিনি।
ঘটনাচক্রে অখিলেশই প্রথম রামমন্দিরের টাকা নয়ছয়ের বিষয়টি সামনে আনেন। সেই সময় তাঁকে আক্রমণ করে বিজেপি। তাদের দাবি ছিল, যিনি একটাকাও দান করেননি রামমন্দিরের জন্য, তাঁর অভিযোগের গুরুত্ব নেই। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে জটিল হচ্ছে বিষয়টি।
Before You Go
Baruipur Incident News | তদন্ত মুখ্যমন্ত্রী করতে দিয়েছে, যেই হোক তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে" : Sayantan Basu























