এক্সপ্লোর
নিউ ব্যারাকপুরে থানায় ‘গুলি’ তৃণমূলের, যাদবপুরে শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে জখম পুলিশ

কলকাতা: ভোটের ফল ঘোষণার পরই আবার শাসকের হাতে আক্রান্ত পুলিশ। সিপিএম নেতার বাড়িতে হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ায় থানায় তাণ্ডব এবং থানা চত্বরে গুলি চালানোর অভিযোগ। ধৃত এগারো জনের তিন দিনের জেল হেফাজত। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পঞ্চসায়রেও সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষের মাঝে পড়ে জখম তিন পুলিশকর্মী। শাসকের পুলিশ-শাসন অব্যাহত। এবার নিউ ব্যারাকপুরে থানায় ঢুকে তাণ্ডব, থানা চত্বরে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য সিপিএমের ওপর হামলা ঘিরে। ভোটের ফল প্রকাশের পরই রাতে নিউ ব্যারাকপুরের মাসুন্দা চণ্ডীতলায় সিপিএমের অঞ্চল কমিটির সদস্য মানিক দত্তগুপ্তর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় নিউ ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। লাঠিচার্জ করে তাঁরা তৃণমূল সমর্থকদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। পুলিশের এই সক্রিয়তা দেখেই তৃণমূল সমর্থকরা আরও খেপে যায়। অভিযোগ, তারা সদলবলে নিউ ব্যারাকপুর থানায় চড়াও হয়। তারপর শুরু হয় তাণ্ডব। থানা লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট-পাটকেল। ইটের ঘায়ে জখম হন থানার ওসি রাজু মুখোপাধ্যায় এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর গোপাল বাগ এবং দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার। এরপর তৃণমূল সমর্থকরা থানায় ঢুকে লাঠিসোঁটা দিয়ে কাচের জানলা চুরমার করে দেয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়। থানা চত্বরেই তৃণমূলকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। শেষমেশ পুলিশ লাঠিচার্জ করে হামলাকারী তৃণমূল সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে। ঘটনায় এক মহিলা সহ এগারো জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের নিউ ব্যারাকপুর শহর তৃণমূল সভাপতি সুখেন মজুমদার এবং সাত নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মনোজ সরকার। ধৃতদের বিরুদ্ধে কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা, হুমকি সহ একাধিক ধারা এবং অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়েছে। ধৃতদের এদিন আদালতে তোলা হলে, তাদের তিনদিনের জেল হেফাজতে পাঠান বিচারক। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনাকে দল কড়াভাবে দেখছে। শুধু অবশ্য নিউ ব্যারাকপুর নয়, একই ছবি দেখা গিয়েছে যাদবপুরেও। বৃহস্পতিবার ফল ঘোষণার পরই শহিদ স্মৃতি কলোনিতে সিপিএমের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে দু’পক্ষের ইটবৃষ্টির মাঝে পড়ে গুরুতর জখম হন পঞ্চসায়র থানার তিন পুলিশকর্মী। তার মধ্যে একজনের মুখে অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছে। ঘটনায় পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে একটি মমলা করেছে। আবার তৃণমূলের তরফেও একটি আলাদা অভিযোগ করা হয়েছে।
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















