Donald Trump: হোয়াইট হাউসের কাছেই রেস্তোরাঁয় ডিনারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে ট্রাম্প, 'আমাদের সময়ের হিটলার', বললেন মহিলা বিক্ষোভকারী
US President : মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবশ্য প্রতিবাদীদের দিকে তাকিয়ে হাসেন এবং মাথা নাড়েন। পরে তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে বলেন।

ওয়াশিংটন ডিসি : ওয়াশিংটন ডিসি-র একটি রেস্তোরাঁয় ডিনার করতে গিয়ে প্রতিবাদের মুখে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের কাছেই রয়েছে Joe's Seafood, Prime Steak & Stone Crab নামে ওই রেস্তোরাঁ। সেখানেই ট্রাম্পকে দেখে স্লোগান-বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন প্রতিবাদীরা। এক মহিলা ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, "Free DC", "Free Palestine"। এর পাশাপাশি তাঁকে বলেন, "আমাদের সময়ের হিটলার।"
মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবশ্য প্রতিবাদীদের দিকে তাকিয়ে হাসেন এবং মাথা নাড়েন। পরে তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে বলেন। বলেন, "চলুন, যান এখান থেকে।" সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্যান্যরা বিক্ষোভকারীদের গালিগালাজ করেন। যাদের পরে বের করে দেওয়া হয়।
ট্রাম্পের সঙ্গে ওই রেস্তোরাঁয় ডিনার করতে গিয়েছিলেন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ। এদিকে রেস্তোরাঁয় বিক্ষোভ দেখানোর দায় নিয়েছে Code Pink নামে একটি নারীবাদী কর্মীর গ্রুপ। তারা সোশাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছে, "ট্রাম্প, জেডি ভান্স, মার্কো রুবিও, পিট হেগসেথ এবং অন্যরা যখন স্টেকহাউসে ভোজের আয়োজন করছিলেন, তখন আমরা আমাদের অবস্থানে অটল ছিলাম এবং তাঁদের সামনে সত্যটা তুলে ধরি: 'Free DC', 'Free Palestine', 'ট্রাম্প আমাদের সময়ের হিটলার।"
এদিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে (World Economy) অস্থিরতা তৈরি করলেও, ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ ট্য়ারিফ (Donald Trump Tariff) বড় ক্ষতি করতে পারেনি ভারতের। অন্তত আন্তর্জাতিক আর্থিক রেটিং সংস্থা ফিচ-এর রিপোর্টে (Fitch Report) উঠে এসেছে এই তথ্য। যেখানে রেটিং সংস্থা ভারতের অর্থনীতির (Indian Economy) বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান বজায় রেখেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর থেকেই চিন্তায় পড়েছে ভারত। বস্ত্রশিল্প ছাড়াও বেশ কিছু খাত সাময়িক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতি নিয়ে আশঙ্কা করেছেন অনেকেই। যদিও আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা ফিচ-এর রিপোর্টে ভারতের বৃদ্ধির হারের পূর্বাভাস 6.9 শতাংশে বাড়ানো হয়েছে। আগে এই বৃদ্ধির হার 6.5 শতাংশ বলে অনুমান করা হয়েছিল। প্রথম ত্রৈমাসিকের পরে পরিবর্তনের এই পরিসংখ্যান খুবই গুরুত্বপূর্ণ । সেপ্টেম্বরের গ্লোবাল ইকোনমিক আউটলুক (GEO)-এ রেটিং সংস্থা বলেছে- দেশে চলতি অর্থবর্ষে মার্চ- জুন ত্রৈমাসিকের মধ্যে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি জানুয়ারি-মার্চ মাসে 7.4 শতাংশ থেকে 7.8 শতাংশে বেড়েছে। এটি জুন জিইওতে 6.7 শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক বেশি।






















