Earthquake : ফের ভূমিকম্পের জোর ধাক্কা ! ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প ভেনেজুয়েলায়, বড় বিপর্যয়ের পর নতুন আতঙ্ক
ভেনেজুয়েলায় ফের ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্প। কয়েক দিন আগেই ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১,০০০ মানুষের। নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল দেশজুড়ে।

কয়েক দিন আগেই শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত হয়েছিল ভেনেজুয়েলা। সেই আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই শুক্রবার (স্থানীয় সময়) ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশটি। ইউরোপীয় ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা (EMSC)-র তথ্য অনুযায়ী, নতুন ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.৯। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভেনেজুয়েলার উত্তর উপকূলের সমুদ্র অঞ্চলে। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী কারাকাস এবং মারাকাই-সহ একাধিক এলাকায়। রয়টার্স-এর প্রত্যক্ষদর্শীরাও এই কম্পন অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থাটি।
নতুন করে আতঙ্ক
এই ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি। তবে কয়েক দিন আগে ভয়াবহ ভূমিকম্পে বহু ভবন ধসে পড়ায় নতুন কম্পন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অনেকেই নিরাপত্তার খাতিরে বাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।
কয়েক দিন আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়
এর আগে ভেনেজুয়েলায় মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই বিপর্যয়ে বহু ভবন ধসে পড়ে এবং সরকারি হিসাবে প্রায় ১,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ আহত হন এবং বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। উদ্ধারকারী বাহিনী এখনও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি ও ত্রাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যেই নতুন ভূমিকম্প পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
আফটারশকের আশঙ্কা
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ভূমিকম্পের পর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে মাঝারি থেকে ছোট মাত্রার আফটারশক (Aftershock) হওয়া অস্বাভাবিক নয়। শুক্রবারের ৪.৯ মাত্রার কম্পনও সেই আফটারশকের অংশ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলি।
শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোড়া ভূমিকম্প গত একশো বছরের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলির অন্যতম। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আফটারশকের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
উদ্ধারকাজ চলছে
দমকল, সেনাবাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী একযোগে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে জরুরি পরিষেবা জোরদার করা হয়েছে এবং অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরও খোলা হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, উদ্ধার অভিযান এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।























