Holi 2026: বরসানায় শুরু লাড্ডু মার হোলি, ফুল-রং-আবিরে মাতোয়ারা আট থেকে আশি
Laddu Mar Holi 2026: বরসানায় শ্রী রাধা রানী মন্দির প্রাঙ্গনে শুরু হয় লাড্ডু মার হোলি। একে অপরের গায়ে লাড্ডু ছুড়ে পালন করা হয় এই হোলি। এবছরও যার অন্যথা হয়নি।

Holi 2026: দোলের আর ক'দিন মাত্র দেরি। তবে এখন থেকেই ব্রজভূমিতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন হাজার হাজার ভক্ত। দোল উদযাপনে দেশ বিদেশ থেকে মথুরায় এসে জড়ো হয়েছেন পর্যটকরা। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার বরসানা (Barsana), বৃন্দাবন (Vrindaban) এবং মথুরায় (Mathura) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল দোল উৎসব। বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রঙের এই উৎসবে মেতেছেন আট থেকে আশি।
বিশ্বব্যাপী আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ব্রজ হোলির সূচনা ঘিরে রয়েছে অদ্ভুত উন্মাদনা। বরসানার মহিলাদের দল নন্দগাঁওতে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী লাঠমার হোলির আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এই মথুরা, বৃন্দাবন, বরসানা এবং নন্দগাঁও স্থানগুলি ভগবান কৃষ্ণ ও রাধারানীর সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই দোল বা হোলিতে এই স্থান যেন হয়ে ওঠে স্বর্গভূমি। ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ব্রজভূমিতে শুরু হয় ফাগ উৎসব। এরপর সন্ধেবেলা বরসানায় শ্রী রাধা রানী মন্দির (Radha Rani Temple) প্রাঙ্গনে শুরু হয় লাড্ডু মার হোলি। বরসানার লাড্ডু হোলি বা লাড্ডু মার হোলি (Laddu Mar Holi) পৃথিবী বিখ্যাত। একে অপরের গায়ে লাড্ডু ছুড়ে পালন করা হয় এই হোলি। এবছরও যার অন্যথা হয়নি।
দোলোৎসবের আনন্দ চাক্ষুষ করতে মথুরা, বরসানা, বৃন্দাবনে ভিড় জমিয়েছেন দেশ-বিদেশের মানুষ। দর্শনার্থীরা শতাব্দীপ্রাচীন এই ঐতিহ্য দেখে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। মুম্বই (Mumbai) থেকে আসা একজন বলেন, 'আমরা মুম্বই থেকে এসেছি। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। সবকিছু ভীষণ সুন্দর লাগছে। এই উদযাপন সত্যিই দেখার মতো'। অন্য আর একজন এই গোটা কর্মকাণ্ডকে আনন্দ ও আধ্যাত্মিক পরিতৃপ্তিতে ভরপুর বলে বর্ণনা করেছেন।
প্রতি বছরের মতো এবারও বিপুল সংখ্যক ভক্ত এবং পর্যটক ভিড় জমাবে ব্রজে। ভিড় সামাল দিতে এবছরও তৎপর প্রশাসন। পুলিশ সুপার (নিরাপত্তা) সুরেশ চন্দ্র রাওয়াত জানান, বিশ্ববিখ্যাত এই উৎসবের জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য আলাদা রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। দেব-দেবী দর্শনে ভক্তদের মন্দিরে প্রবেশের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মেনে চলা হচ্ছে। তিনি বলেন, 'যেখানে যেখানে ভিড় বেশি হয় সেখানে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে'। ২৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা চত্বর। এগুলি মোট তিনটি কন্ট্রোলরুম থেকে মনিটর করা হবে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদানের উদ্দেশ্যে পুরো এলাকা সাতটি জোন এবং ১৮টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপদভাবে দোল উৎসব পালন তাদের মূল লক্ষ্য। তা করতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্রজভূমিতে রঙের উৎসব আরও কয়েকদিন ধরে চলবে। পুলিশ মনে করছে, এবছর আরও বেশি জনসমাগম হবে এই ব্রজভূমিতে।























