Rajasthan News: মাঠে গরু চরানোর চাকরি, মাসে ১০০০০ টাকা বেতন, কর্মসংস্থানে নতুন প্রকল্প বিজেপি-শাসিত এই রাজ্যে…
Gaon Gwala Yojana: রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ার নয়া এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করেছেন।

নয়াদিল্লি: মাঠে গরু চরানো চাকরি হিসেবে বৈধতা পেল বিজেপি শাসিত রাজস্থানে। ‘গাঁও গোয়ালা যোজনা’র মাধ্যমে গরু চরানোকে চাকরি হিসেবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সেই মতো মিলবে বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। তবে বিষয়টি সামনে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। সরকার সমর্থকরা গ্রামীণ অর্থনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বললেও, নেতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরেছেন সমালোচকরা। ( Gaon Gwala Yojana)
গাঁও গোয়ালা যোজনা কী?
রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ার নয়া এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করেছেন। কোটা জেলা থেকে এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে, যার প্রথম দফায় ১৪টি গ্রাম থেকে একজন করে ‘রাখাল’ নিযুক্ত করা হয়েছে। ওই ১৪ জন ‘রাখাল’কে মাথায় পাগড়ি ও গলা মালা পরিয়ে সম্মান জানান মদন। চিরাচরিত ওই পেশার মর্যাদা ধরে রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান। (Rajasthan News)
রাজস্থান সরকার জানিয়েছে, আগে গ্রামের লোকজনই গরু চরাতেন মাঠে। গরু-বাছুরের যত্ন নিতেন নিজেরাই। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়া গায়ে লাগার পর, রোজগারের খোঁজে অন্যত্র সরে যাওয়ার জিগির দেখা দেওয়ার পর এবং গ্রামীণ জীবনে পরিবর্তন ঘটায় সেই অভ্যাসও বদলে গিয়েছে। তাই
গ্রামীণ এলাকায় প্রাচীন পেশাকে পুনরুজ্জীবিত করতে, গ্রামস্তরে পশুপালনকে সংগঠিত করতে এবং গ্রামীণ এলাকার অর্থনীতিকে মজবুত করতেই এই প্রকল্পের সূচনা। এতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যেমন বজায় থাকবে, তেমনই গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার জানিয়েছে, ৭০টি গরু পিছু একজন ‘রাখাল’ নিযুক্ত করা হবেষ গরুর সংখ্যা বাড়লে, ‘রাখালে’র সংখ্যাও বাড়িয়ে দুই বা তিন করা হতে পারে। প্রত্যেক ‘রাখাল’ মাসে ১০ হাজার টাকা করে পাবেন। তবে সরাসরি সরকার ওই বেতন দেবে না। সাধারণ মানুষের অনুদান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির অনুদান থেকেই টাকা দেওয়া হবে ‘রাখাল’দের। এতে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হবেন বলে মনে করছে রাজস্থানের বিজেপি সরকার।
কিন্তু এই প্রকল্পের সূচনা হতেই বিতর্ক দেখা দিয়েছে। প্রকল্পটির উদ্বোধন করতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন খোদ মদনও। তাঁর দাবি, গরুর দুধ পান করেন যাঁরা, তাঁরা কর্মচঞ্চল এবং বুদ্ধিমান প্রকৃতির মানুষ হন। কিন্তু মোষের দুধ পান করা লোকজন হন অলস প্রকৃতির। দেশি গরুর দুধই সেরা, এতেই শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ ঘটে বলেও দাবি করেন তিনি। এর সপক্ষে কোনও বৈজ্ঞানিক কার্যকারণ যদিও পেশ করতে পারেননি মদন। অন্য দিকে, যন্ত্রমেধার বাড়বাড়ন্তের যুগে কর্মসংস্থানের নামে সাধারণ মানুষকে কেন গরু চরানোর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।






















