Thailand Princess: রক্তে ছড়িয়েছে মারাত্মক সংক্রমণ, তিন বছর ধরে গভীর ‘ঘুমে’ থাইল্যান্ডের রাজকুমারী ! দুশ্চিন্তায় গোটা রাজপরিবার
Thai Princess in Coma: সংবাদসংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে ব্যাঙ্ককের কিং চুলালংকর্ণ মেমোরিয়াল হাসপাতালের টিম পুরো মাত্রায় যত্নে রেখেছে রাজকুমারীকে এবং তাঁর যথাযথ চিকিৎসা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

থাইল্যান্ডের রাজকুমারী (Thailand Princess) বজ্রকিতিয়েভা নরেন্দিরা দেব্যাবতী হৃদরোগের কারণে তিন বছর ধরে অজ্ঞান। চেতনা নেই দেহে। সমস্ত শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুত সংক্রমণ। থাইল্যান্ডের রাজপরিবারের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে সংবাদসংস্থাকে। তিন বছর ধরে গভীর ঘুমে রয়েছেন রাজকুমারী। যেন ছোটবেলার সেই রূপকথার কাহিনি, অচিন দেশের রাজপুত্তুর এসে সোনার কাঠি রুপোর কাঠি ছুঁইয়ে ঘুম (Thailand Princess Coma) ভাঙাবেন রাজকুমারীর ! দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে গোটা রাজপরিবারের।
সংবাদসংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে ব্যাঙ্ককের কিং চুলালংকর্ণ মেমোরিয়াল হাসপাতালের টিম পুরো মাত্রায় যত্নে রেখেছে রাজকুমারীকে এবং তাঁর যথাযথ চিকিৎসা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁকে (Thailand Princess) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কয়েকজন মনে করেন যে এই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়েভাই ছিলেন থাইল্যান্ডের রাজবংশের পরবর্তী উত্তরাধিকারী আর এর মাধ্যমেই তিনি হয়ে উঠতেন থাইল্যান্ডের প্রথম মহিলা রাজা। ৭৩ বছর বয়সী রাজা ভজিরালংকর্ণ ২০১৬ সালে সিংহাসনে বসার পর থেকে কোনও উত্তরাধিকারী নিয়োগ করেননি।
২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে এই রাজার মৃত্যু হয়। আর তারপরেই এই রাজকুমারী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসকেরা তাঁর রক্তে গুরুতর সংক্রমণ লক্ষ্য করেছেন যা কমানোর জন্য মাঝে মাঝেই তাঁকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির নানা জায়গায় রাজকুমারী বজ্রকিতিয়েভার প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হয়েছে, তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
Instagram-এ এই পোস্টটি দেখুন
কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রিধারী বজ্রকিতিয়েভা অস্ট্রিয়ায় একজন কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, জাতিসংঘের নারী, মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে রাজার রয়্যাল সিকিউরিটি কমান্ড ইউনিটে জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
এই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়েভা মূলত থাইল্যান্ডের মৃত রাজার খুড়তুতো ভাইয়ের মেয়ে যিনি ছিলেন রাজার চার স্ত্রীর মধ্যে প্রথম সন্তান। ৭ ডিসেম্বর ১৯৭৮ সালে ব্যাঙ্ককে এই রাজকুমারীর জন্ম হয়। ছোটবেলায় ইংল্যান্ডের হিথফিল্ডে পড়াশোনা করেছেন তিনি। কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এরপরে তিনি দু’বার স্নাতক অর্জন করেন।






















