কিন্তু কিছুতেই তার হদিশ মিলছিল না। হেলিকপ্টার, ড্রোন কাজে লাগানো হয় বাঘিনীকে খোঁজার জন্য। স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের কর্মী, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাতি, শিকারি এবং শিকারি কুকুরকে বাঘিনীকে খোঁজার কাজে লাগানো হয়। অবশেষে গতকাল তাকে মারা সম্ভব হল। মানুষ খেকো-র আতঙ্ক খতম হতে স্থানীয়দের উচ্ছ্বাস শুরু হয়ে যায়। বাঘিনীর মৃতদেহ নিয়ে তাঁরা মিছিলও করেন। সরকারি সূত্রে খবর, মানুষখেকোকে মারতে প্রায় ১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
2/4
গত দেড় মাস ধরে রামনগর এলাকায় ত্রাস হয়ে উঠেছিল এই মানুষখেকো। স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়ে তাঁদের বাড়ির সন্তানদের স্কুলেও পাঠাতে পারছিলেন না। মানুষের জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা বাঘিনীকে নরখাদক বলে ঘোষণা করেছিল বনবিভাগ।
3/4
এই বাঘিনীকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মারতে সক্ষম হল বনবিভাগ।দিল্লি থেকে ২৫০ কিমি দূরে নৈনিতালের রামনগরে গতকাল ওই বাঘিনীকে ঘিরে ফেলা হয়। ১১ রাউন্ড গুলি চালিয়ে বাঘিনীকে হত্যা করা হয়।
4/4
অবশেষে খতম হল উত্তরাখণ্ডের রামনগর এলাকার গত ৪৫ দিনের আতঙ্ক মানুষখেকো বাঘিনী। এই বাঘিনীর হামলায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।