এই পাথরটির আকর্ষণে প্রতি বছর বহু পর্যটক মহাবালিপুরমে যান। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এখানে যাওয়ার সেরা সময়
2/8
এই পাথরটির অনুকরণেই বিখ্যাত মাটির পুতুল তানজাবুর বোম্মাই তৈরি করা হয়। এই পুতুলগুলিকে নাড়ালে ফের সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে
3/8
১৯০৮ সালে তৎকালীন মাদ্রাজের গভর্নর আর্থার ললিও পাথরটিকে সরানোর পরিকল্পনা করেন। সাতটি হাতিকে কাজে লাগানো হয়। কিন্তু এক ইঞ্চিও সরানো যায়নি পাথরটিকে
4/8
শোনা যায়, পল্লব রাজবংশের সম্রাট নরসিংহবর্মন এই পাথরটিকে সরানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি সফল হননি
5/8
স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, ভগবান কৃষ্ণই এই পাথরটিকে এই রূপ দিয়েছেন। ১,২০০ বছর ধরে পাথরটি এখানে আছে
6/8
বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্ধবৃত্তাকার পাথরটির ওজন প্রায় ২৫০ টন। সেটির মাত্র ৪ ফুট অংশ পাথুরে জমির সঙ্গে যুক্ত। তার উপর ভর করে পাথরটি কীভাবে মাধ্যাকর্ষণ উপেক্ষা করে এভাবে দাঁড়িয়ে আছে, সেটা এখনও রহস্য
7/8
স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকরা গ্রীষ্মকালে এই আশ্চর্য পাথরের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিতে পারেন
8/8
তামিলনাড়ুর মহাবালিপুরমে রয়েছে একটি আশ্চর্য পাথর। ২০ ফুট লম্বা এবং ৫ মিটার চওড়া পাথরটি এমনভাবে রয়েছে, দেখে মনে হবে যে কোনও সময় গড়িয়ে যাবে। কিন্তু শতকের পর শতক ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে পাথরটি