Japan Earthquake: তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান, 'Megaquake'-এর আশঙ্কা গাঢ় হচ্ছে আরও
Earthquake in Japan: ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বুধবার সন্ধে ৭টা বেজে ৩৪ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় জাপানে।

নয়াদিল্লি: মায়ানমারে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর এখনও এক সপ্তাহ কাটেনি। এবার তীব্র কম্পনে দুলে উঠল জাপান। জাপানও কেঁপে উঠতে পারে আশঙ্কা ছিলই। সেই মতো আগে থেকেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়। আর আশঙ্কা সত্যি করেই ভূমিকম্প হল জাপানে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বুধবার সন্ধে ৭টা বেজে ৩৪ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় জাপানে। কিয়ুশু থেক কম্পন ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা যাচ্ছে। সুনামি সতর্কতা জারি করাও হয়নি এখনও পর্যন্ত। (Japan Earthquake)
জাপানের National Center for Seismology (NCS) জানিয়েছে, ভূগর্ভের ৩০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎসস্থল। ৩১.৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ১৩১.৪৭ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশ অঞ্চল থেকে কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি, ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ানও সামনে আসেনি এখনও পর্যন্ত। (Earthquake in Japan)
সম্প্রতি মায়ানমার তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। সেই বিপর্যয়ের রেশ এখনও কাটেনি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মৃতের সংখ্য়া ৩০০০ ছুঁতে চলেছে। সেই রেশ তাইল্যান্ড এবং চিনেও পড়ে। আর সেই আবহেই অশনি সঙ্কেত দেখতে শুরু করেছিল জাপান। জাপান সরকার আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, ৯.১ তীব্র তীব্রতায় কেঁপে উঠতে পারে জাপান। তাতে নয় নয় করে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি হতে পারে। সাধারণ ভূমিকম্প নয়, 'Megaquake' জাপানে আছড়ে পড়তে পারে বলে জানানো হয়।
An earthquake with a magnitude of 6.0 on the Richter Scale hit Kyushu, Japan at 7.34 PM (IST) on April 2: National Center for Seismology pic.twitter.com/ZaYzcGXtdg
— ANI (@ANI) April 2, 2025
শুধু তাই নয়, বিধ্বংসী ভূমিকম্প দেশকে গ্রাস করলে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতিও বিপুল হবে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়। বলা হয়, প্রায় ১.৮১ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, যা জাপানের জিডিপি-র অর্ধেক প্রায়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কাটিয়ে আসতে হিমশিম খেতে হতে পারে। সুনামি থেকে বিল্ডিং ধুলিসাৎ হয়ে যাওয়ার কথাও জানানো হয় সতর্কবার্তায়। গতবছরও বিধ্বংসী 'Megaquake' নিয়ে সতর্কতা জারি করার পাশাপাশি, নির্দেশিকা প্রকাশ করে জাপানের সরকার।
ভৌগলিক ভাবে জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'অগ্নিবলয়ে'র মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ ভূমিকম্প প্রবণ দেশ হিসেবেই গণ্য হয় জাপান। ওই অঞ্চলে একাধিক সক্রিয় টেকটোনিক পাতের সীমানা রয়েছে। অর্থাৎ পাতের কিনারার সঙ্গে লেগে রয়েছে অন্য পাত। একটু এদিক ওদিক হলেই তাই কেঁপে ওঠে বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আগেও একাধিক বার এমন বিপর্যয় দেখেছে জাপান। তবে 'Megaquake' হলে সব হিসেব নিকেশ ছাপিয়ে যাবে পরিস্থিতি বলে আশঙ্কা। কারণ রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৮-এর উপর থাকলেই সেটিকে 'Megaquake' বলা হয়। এতে গোটা একটি অঞ্চল ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে।
এর আগে, কিয়ুশুর দক্ষিণে এবং টোকিয়োর পশ্চিমে অবস্থিত, সমুদ্রের তলদেশে যে ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ খাত রয়েছে, সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। কারণ ওই খাতের কাছেই ফিলিপিন সি টেকটোনিক পাতটি জাপানের পাতের নীচে ঢুকে রয়েছে।






















