Virat Kohli Retirement: কোহলির টেস্ট ছাড়ার সিদ্ধান্তে হতাশ নজফগড়ের নবাব, অন্য গন্ধ পাচ্ছেন সহবাগ!
Sehwag On Virat: বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি বিরাট ভক্তদের মন যেমন ভেঙে গিয়েছিল, তেমন অনেক প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটারও কোহলির এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিলেন।

নয়াদিল্লি: ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৮ সদস্য়ের ভারতীয় দল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। শুভমন গিলের নেতৃত্বে খেলতে নামবে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু সেই দলে একটি নাম দেখা যায়নি। আর কোনওদিন টেস্টের জন্য ঘোষিত ভারতীয় দলে দেখাও যাবে না তাঁকে। তিনি বিরাট কােহলি। ইংল্যান্ড সফরের আগেই আচমকা টেস্ট ফর্ম্য়াট থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি বিরাট ভক্তদের মন যেমন ভেঙে গিয়েছিল, তেমন অনেক প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটারও কোহলির এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিলেন। সেই তালিকায় রয়েছেন বীরেন্দ্র সহবাগও। তিনি যেমন বলেই দিলেন যে অনায়াসে আরও ২ বছর টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারতেন কোহলি।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট। দলকে যদিও জেতাতে পারেননি তিনি। সহবাগ বলছেন, ''বিরাট এখনও অসম্ভব ফিট। অবশ্যই আমি ওর টেস্ট ছাড়ার সিদ্ধান্ত হতাশ হয়েছি। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারে অনেক দ্রুত ও এই ফর্ম্য়াট ছেড়ে দিল। আরও দুটো বছর অনায়াসে খেলতে পারত বিরাট। তবে ওই আসলে বলতে পারবে কেন এভাবে সরে দাঁড়াল। এটা পুরোটাই একজন ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। হতেই পারে কোনও কারণে বিরাট এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।'' নজফগড়ের নবাব আরো বলেন, ''ও এখনও মাঠে দ্রুততম প্লেয়ারদের একজন। যেভাবে ও খেলে, যেভাবে মাঠে আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় কোহলিকে, তাতে আমি নিশ্চিত যে আরও দু বছর অনায়াসে খেলে যেতে পারত কোহলি।''
প্রথমে রোহিত ও পরে বিরাট এই ফর্ম্যাট থেকে অবসর নিয়ে নিয়েছেন। যা ইংল্যান্ড সফরে খানিকটা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ড ক্রিকেটে এক সাক্ষাৎকারে স্টোকস বলেন, ''আমি বিরাটকে ওর অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানার পরই মেসেজ করেছিলাম। ওকে জানিয়েছিলাম যে আমি ওর বিরুদ্ধে আগামী সফরে খেলতে পারব না, এটা লজ্জার। আমি সবসময় বিরাটের বিরুদ্ধে খেলা পছন্দ করি। এই লড়াইটা উপভোগ করি, কারণ দুজনেই একই মানসিক কাঠিন্য নিয়ে খেলতে নামি আমরা মাঠে।''
স্টোকস আরও বলেন, ''ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতীয় দল বিরাটের আগ্রাসনের অভাব বোধ করবে অবশ্যই। যেভাবে মাঠে খেলার প্রতিটা মুহূর্তে নিজেকে সক্রিয় রাখে, তাে প্রতিপক্ষ শিবিরের চাপ বাড়ে নিঃসন্দেহে। ১৮ নম্বর জার্সিটা যেন ওঁর জন্যই তৈরি হয়েছিল। আমরা হয়ত ওই ১৮ নম্বর জার্সিটা আর কোনও ভারতীয়র জার্সির পেছনে দেখতে পাব না। তবে আমি বিরাটের কভার ড্রাইভ সবসময় মনে রাখব। টেস্টে ওর কভার ড্রাইভ দেখা চোখের শান্তি।''




















