Angelo Mathews Retirement: 'যেই ফর্ম্য়াট সবথেকে বেশি ভালবাসি, সেখান থেকে সরে যাচ্ছি', বিদায়লগ্নে আবেগে ভাসলেন ম্য়াথিউজ
SL vs BAN: ২০০৯ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় অ্যাঞ্জেলো ম্য়াথিউজের। শ্রীলঙ্কার জার্সিতে ৩৪টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে হেডিংলে টেস্ট জয় অন্য়তম সেরা জয় ম্য়াথিউজের কেরিয়ারে।

গল: আগেই জানিয়েছিলেন যে বাংলাদেশের (SL vs BAN) বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে প্রথম টেস্টের পরই আন্তর্জাতিক টেস্ট ফর্ম্য়াটকে বিদায় জানাবেন। সেই মতই নিজের কেরিয়ারের শেষ টেস্ট ম্য়াচ খেলে ফেললেন অ্য়াঞ্জেলো ম্য়াথিউজ (Angelo Mathews Retirement)। ১১৯ টেস্টে ঝুলিতে ৮২৪১ রান। ৪৪ এর ওপর গড়ে ব্যাটিং করেছেন ম্য়াথিউজ। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের কিংবদন্তি বলা হয় তাঁকে। অলরাউন্ডার ম্য়াথিউজের ঝুলিতে রয়েছে ৩৩টি উইকেটও। শেষবার মাঠে নামার আগে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হয় তাঁকে।
শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ড্র হয়েছে। ম্য়াচের পর ম্য়াথিউজ বলেন, ''আমি আমার অবসর ঘোষণা করেছিলাম যখন থেকে, প্রচুর মানুষের ভালবাসা পেয়েছি। আমি অভিভূত। কেরিয়ারের শুরু থেকে আমার পাশে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। এটা কখনওই সহজ সফর ছিল না। অনেক ওঠাপড়া ছিল কেরিয়ারে। সবারই থাকে। অনেক সুখ, দুঃখের সাক্ষী। কিন্তু সব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে এত মানুষের ভালবাসা পেয়েছি বলেই আজ এই জায়গায় দাঁড়াতে পেরেছি।''
২০০৯ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় অ্যাঞ্জেলো ম্য়াথিউজের। শ্রীলঙ্কার জার্সিতে ৩৪টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে হেডিংলে টেস্ট জয় অন্য়তম সেরা জয় ম্য়াথিউজের কেরিয়ারে। দেশের জার্সিতে টেস্ট ফর্ম্য়াটে কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়বর্ধনের পর তৃতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহক এই ফর্ম্য়াটে।
ম্য়াথিউজ বলছেন, ''ক্রিকেটের সেরা ফর্ম্য়াট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি। এটা সত্যিই আমার কাছে ভীষণ আবেগঘন মুহূর্ত। অত্যন্ত ভালবাসি টেস্ট ক্রিকেট খেলা। তবে এবার সময় এসেছে তরুণ প্লেয়ারদের এগিয়ে আসার। তাঁদের জায়গা করে দেওয়া উচিৎ। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে তাঁরাই এগিয়ে নিয়ে যাবে এবার। আমার সব সতীর্থদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ থাকব। কোচ, সাপোর্ট স্টাফদেরও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি বাংলাদেশ দলকেও শুভেচ্ছা জানাব। ওরা দারুণ ক্রিকেট খেলল এই টেস্টে।''
ম্য়াচে শ্রীলঙ্কার জন্য লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ ওভারে ২৯৬ রান। কিন্তু পঞ্চম দিনে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং শুরুর সময়ই মনে হয়েছিল যে এই ম্য়াচ ড্র ছাড়া আর কোনও দিকে যাবে না। ঠিক তেমনই হল। শ্রীলঙ্কার স্কোর যখন ৭২/৪ তখন ২ অধিনায়কের সম্মতিতে খেলা ড্র ঘোষণা করে দেন আম্পায়াররা। বাংলাদেশের তাইজুল ইসলাম দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। বাংলাদেশের অধিনায়ক শান্ত ম্য়াচে দুটো ইনিংসেই শতরান হাঁকান।




















