Vinod Kambli: শেষ মুহূর্তে ডিভোর্সের ভাবনা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন বিনোদ কাম্বলির স্ত্রী, কারণ জানেন?
Vinod Kambli And Andrea Hewitt: ২০২৩ সালে বিনোদ কাম্বলির ওপর গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ তুলে ডিভোর্স কেস ফাইল করেছিলেন আন্দ্রেয়া। মদ্যপ অবস্থায় এসে বিনোদ তাঁর স্ত্রী-কে মারধর করতেন।

মুম্বই: বারবার মাঠে ও মাঠের বাইরে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে বিনোদ কাম্বলি বারবার চর্চায় উঠে এসেছেন তাঁর শারীরিক অসুস্থতার জন্য। বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তিও হতে হয়েছিল প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারকে। কিন্তু এই বিনোদ কাম্বলিকেই ছেড়ে চলে যেতে চাইছিলেন তাঁর স্ত্রী আন্দ্রেয়া হিউইট। ডিভোর্স নেবেন, এমনটাও ঠিক করে নিয়েছিলেন। কিন্তু আচমকাই নিজের সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছিলেন। কিন্তু কেন? সেই কথাই এবার প্রকাশ্যে আনলেন আন্দ্রেয়া। জানালেন স্বামীর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই শেষ পর্যন্ত তাঁর পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ৪২ বছরের প্রাক্তন মডেল।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আন্দ্রেয়া বলেন, ''আমি একটা সময় ডিভোর্সের বিষয় ভাবনাচিন্তা করছিলাম। কিন্তু আমি পরে বুঝতে পারি যে যদি তাঁকে ছেড়ে যাই, সেক্ষেত্রে বিনোদ অসহায় হয়ে যাবে। ও অনেকটা শিশুর মত। এটা আমাকে কষ্ট দেয়, উদ্বিগ্ন করে তোলে। একটা সময়ের পরে আমি বুঝতে পারি যে আমাকে তাঁর প্রয়োজন আছে। তাই শেষে নিজের সিদ্ধান্তের বদল ঘটাই।'' আন্দ্রেয়া আরও বলেন, ''বেশিরভাগ সময়ই আমি নিজেকে এভাবেই বোঝাই যে আমিই এই পরিবারের 'বাবা' আমিই এই পরিবারের 'মা'। আমার ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো সব বুঝতে পারে। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার কষ্টটা অনুভব করতে পারে ও।''
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে বিনোদ কাম্বলির ওপর গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ তুলে ডিভোর্স কেস ফাইল করেছিলেন আন্দ্রেয়া। মদ্যপ অবস্থায় এসে বিনোদ তাঁর স্ত্রী-কে মারধর করতেন, এমনটাই অভিযোগ উঠেছিল। এরপর থেকে ১৪ বার রিহ্যাবে গিয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। আন্দ্রেয়ার আগে বিনোদের প্রথম স্ত্রী নোয়েলা লিউসের সঙ্গে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ২০০৬ সালে।
গত ১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন কাম্বলি। মূত্রনালিতে ইনফেকশন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। মস্তিষ্কেও রক্ত জমাট বেঁধেছিল। গত ২১ ডিসেম্বর থেকে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। বাড়ি ফেরার পর খানিকটা সুস্থ আছেন বিনােদ কাম্বলি। মুম্বই ক্রিকেট অ্য়াসোসিয়েশনের তরফে প্রাক্তন মুম্বই ক্রিকেটারদের সংবর্ধিত করা হয়েছিল। সেখানেই সম্মানিত হন কাম্বলিও।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিজের কেরিয়ারের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে কাম্বলি বলেন, ''আমার ছোটবেলা কেটেছে এই মাঠে। এখানে আমি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দ্বিশতরান হাঁকিয়েছিলাম। কেরিয়ারে এরপর অনেক শতরান করেছি। কিন্তু ওটা স্পেশাল ছিল। আমার বা সচিনের মত যাঁরা ভবিষ্যতে ক্রিকেটার হতে চাও। সবাইকে বলব শুধু পরিশ্রম করে যাও। পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই। দেশের জার্সিতে খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে।''




















