Durand Cup 2025: হাইল্যান্ডার্সদের দ্বিতীয় খেতাব, ডায়মন্ড হারবারের বিরুদ্ধে হাফ ডজন গোল করে নর্থইস্টের ডুরান্ড জয়
NorthEast United: গত বছর যুবভারতীতে মোহনবাগানকে হারিয়েছিল, এবার বাংলার আরেক দল হায়মন্ড হারবার এফসিকে হারিয়ে সফলভাবে নিজেদের ডুরান্ড খেতাব ডিফেন্ড করল নর্থইস্ট ইউনাইটেড।

কলকাতা: গত বছরই নিজেদের প্রথম খেতাব জিতেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড (NorthEast United)। শনিবার, তাঁদের প্রতিপক্ষও সেই আশাতেই মাঠে নেমেছিল। তবে ডায়মন্ড হারবারের এফসির (Diamond Harbour Fc) প্রথম বড় খেতাব জয়ের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। ফের একবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2025)ট্রফি উঠল জন আব্রাহামের দল নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হাতেই। হাইল্য়ান্ডার্সরা শুধু ডায়মন্ড হারবারকে হারাল না, তাদের এক কথায় দুরমুশ করল তারা।
ম্যাচের স্কোর নর্থইস্টের পক্ষে ৬-১। ৯০-র দশকে ইস্টবেঙ্গলের পর প্রথম দল হিসাবে নিজেদের ডুরান্ড কাপ সফলভাবে ডিফেন্ড করল হাইল্যান্ডার্সরা। ১৯৮৯, ৯০ ও ৯১ সালে ইস্টবেঙ্গল টানা তিনবার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে কোনও দলই এশিয়ার সবথেকে পুরনো টুর্নামেন্টে পরপর খেতাব জেতেনি। তবে জুয়ান পেদ্রে বেনালির কোচিংয়ে নর্থইস্ট সেটাই করে দেখাল।
FT| #NEUFC 6-1 #DHFC
— Durand Cup (@thedurandcup) August 23, 2025
A dominating performance by #NEUFC from start to finish as the defending champions successfully retain the title.
A statement win! History Created!#NEUFCDHFC #FINAL #134thEditionofIndianOilDurandCup #PoweredBySBIandCoalIndia #DurandCup2025… pic.twitter.com/IQbAnW5tdq
চ্যাম্পিয়ন হয়ে এক কোটি ২১ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কার পেল তারা। সঙ্গে ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ ও সিমলা ট্রফি। এ ছাড়াও প্রেসিডেন্টস কাপ তাদের হাতে তুলে দেবেন দেশের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদি মুর্মু। আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি ভবনে এক অনুষ্ঠানে এই ঐতিহ্যবাহী কাপ তিনি তুলে দেবেন বিজয়ী দলের হাতে।
খাতায় কলমে এই ম্যাচে কিন্তু নর্থ ইস্টই এগিয়েছিল। তবে মাত্র পাঁচ বছর আগে তৈরি হওয়া ডায়মন্ড হারবার এফসি সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে খেতাবি লড়াইয়ে মাঠে নেমেছিল। তাই জবি জাস্টিনদের হালকাভাবে নেওয়ার ভুল মারাত্মক হতে পারত। এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশায় ছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। তা আর হল কই। প্রথমার্ধে খানিকটা লড়াই হলেও, দ্বিতীয়ার্ধে ডায়মন্ড হারবারের রক্ষণ একেবারে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।
ম্যাচের ৩০ মিনিটে আশির আখতার নর্থইস্টকে কাঙ্খিত লিড এনে দেয়। ইনজুরি টাইমে পার্থিব গগৈ হাইল্যান্ডার্সদের হয়ে লিড দ্বিগুণ করে ম্যাচে তাদের আধিপত্য প্রমাণ করেন। দ্বিতীয়ার্ধের পাঁচ মিনিটের মাথাতেই আবারও গোল। রুয়াতকিমা তৃতীয় নর্থইস্ট ফুটবলার হিসাবে ডায়মন্ড হারবারের জালে বল জড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ কোন দিকে গড়াচ্ছে, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায়। ৬৮ মিনিটে লুকা মাজেনের গোলে ডায়মন্ড হারবার সমর্থকদের মুখে ক্ষণিকের হাসি ফোটে। ম্যাচে ফেরার আশা দেখছিলেন তাঁরা। তবে নির্ধারিত সময়ের শেষ দ ফের একবার আক্রমণে ঝড় তোলে নর্থইস্ট।
৮১ মিনিটের মাথায় জায়রো বাস্তারা ও ৮৬ মিনিটে অ্যান্ডি গাইতানের গোলে ৫-১ এগিয়ে যায় নর্থইস্ট। পাঁচতারা পারফরম্যান্সের পরেও নর্থইস্টের জন্য কেবল তারকা ফরোয়ার্ড আলাদিন আজারেইয়ের গোলেরই অভাব ছিল। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার ম্যাচ শেষের আগে সেই আক্ষেপ মিটিয়ে দেন। মরক্কান ফরোয়ার্ডকে পেনাল্টি বক্সে ফাউল করায় স্পট কিক থেকে তিনিই টুর্নামেন্টে নিজের অষ্টম ও ম্যাচের ষষ্ঠ গোল করেন। দুরন্ত দাপটের সঙ্গে ম্যাচ জিতে নেয় নর্থইস্ট।






















