LSG vs GT: বলে স্পিনারদের ভেল্কির পর ব্যাটে পুরান, মারক্রামের অর্ধশতরানে গুজরাতের বিজয়রথ থামাল লখনউ
IPL 2025: গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে এডেন মারক্রাম ৫৮ ও নিকোলাস পুরান ৬১ রানের ইনিংস খেলেন।

লখনউ: নাগাড়ে তড়তড়িয়ে একের পর এক ম্যাচ জিতছিল গুজরাত টাইটান্স। আইপিএলের লিগ তালিকার শীর্ষেও ছিল শুভমন গিলের গুজরাত টাইটান্স। তবে তাদের জয়ের ধারা থামাল লখনউ সুপার জায়ান্টস (Lucknow Super Giants vs Gujarat Titans)। লখনউয়ের পিচে যেখানে বল খানিকটা থেমে আসছিল, সেখানে কিন্তু ১৮১ রানের লক্ষ্য় খুব সহজ ছিল না। তবে নিকোলাস পুরান (Nicholas Pooran), এডেন মারক্রামের (Aiden Markram) দুরন্ত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে হেসেখেলে ম্যাচ জিতে নিল লখনউ। শেষের দিকে কয়েকটি উইকেট হারানোয় খানিকটা সময় লাগলেও, লখনউয়ের জয় নিয়ে খুব একটা সন্দেহ কোনও সময়ই ছিল না। শেষমেশ তিন বল বাকি থাকতে ছয় উইকেট ম্যাচ জিতল লখনউ।
এদিন মিচেল মার্শের অনুপস্থিতিতে তাঁর পরিবর্তে লখনউয়ের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন ঋষভ পন্থ। এডেন মারক্রামের সঙ্গে মিলে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়লেও, পন্থকে দুরন্ত ছন্দে দেখায়নি। শেষমেশ তিনি এই ম্যাচেও মাত্র ২১ রানেই আউট হন। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ তাঁকে ফিরিয়ে গুজরাতকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টায় ছিলেন। তবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক নিকোলাস পুরান যে ফর্মে রয়েছেন, তাঁকে থামানো ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। অপরপ্রান্তে মারক্রামও অর্ধশতরান পূরণ করে ফেলেন।
Into the 🔝 4 with a 💥 pic.twitter.com/i0DBazPpjh
— Lucknow Super Giants (@LucknowIPL) April 12, 2025
প্রোটিয়া তারকাকে সেই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণই ৫৮ রানে সাজঘরে ফেরত পাঠান। কিন্তু তাতে খুব লাভের লাভ হয়নি। ২৩ বলে অর্ধশতরান পূরণ করে ফেলেন নিকোলাস পুরান। তাঁর ব্যাটে ভর করেই জয়ের দিকে তড়তড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল লখনউ। তাতে কিছুটা লাগাম লাগাতে সক্ষম হয় গুজরাত। পুরানকে ৬১ রানে ফেরান রশিদ খান। শেষ ওভার অবধি ম্যাচও গড়ায়। তবে কোনওসময়ই গুজরাত এই ম্যাচ জিততে পারেন বলে মনে হয়নি। শেষমেশ চার ও ছক্কা মেরে ২৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন আয়ুষ বাদোনি।
প্রথম ইনিংসে একানা স্টেডিয়ামে দুই সূম্পর্ণ ভিন্ন মেজাজে দুই অর্ধ দেখা গিয়েছিল। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে গুজরাত টাইটান্স প্রথম ১২ ওভারে সম্পূর্ণ দাপট দেখিয়ে বিনা উইকেটে ১২০ রান তুলেছিল। মনে হয়েছিল শুভমন গিলের দল হেসেখেলে দু'শো রান পার করবে। তবে হালকা রিভার্স স্য়ুইং, অল্প স্পিন আর তাতেই বদলে গেল সবকিছু। শেষ আট ওভারে গুজরাত ৬০ রানের বিনিময়ে ছয়টি উইকেট হারায়। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮০ রানেই থেমে গেল গুজরাতের ইনিংস। তবে গিল ও সাই সুদর্শন অর্ধশতরান হাঁকালেন। তাঁরা যথাক্রমে ৫৬ ও ৬০ রানের ইনিংস খেলেন। কিন্তু তা যে দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না, তা বলাই বাহুল্য।




















