WTC Final 2025: 'চোকার্স' তকমা ঝেড়ে ফেলে অবশেষে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, দক্ষিণ আফ্রিকার নায়কের নাম মারক্রাম
Aiden Markram: ২৮২ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থ ইনিংসে ১৩৬ রান করেন এইডেন মারক্রাম। এই ইনিংসের জন্য তাঁকে ম্যাচ সেরাও ঘোষণা করা হয়।

লন্ডন: ২০২৫ সালটা যেন খরা কাটানোর, স্বপ্নপূরণের বছর। ২৭ বছর পর অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে উঠল আইসিসি ট্রফি। অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী (WTC Final 2025) হল প্রোটিয়া বাহিনী। ঘটনাক্রমে যে ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হেরে জুটেছিল 'চোকার্স' তকমা, সেই ইংল্যান্ডেই দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে উঠল সেরার শিরোপা। আর এই সবের কেন্দ্রে এক প্রোটিয়া তারকা, তাঁর নাম এইডেন মারক্রাম (Aiden Markram)।
মারক্রামের হাত ধরেই রামধনুর দেশে শেষ আইসিসি ট্রফি এসেছিল। ২০১৪ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। সেই মারক্রামের হাত ধরেই ফের একবার চ্যাম্পিয়ন হল রামধনুর দেশ। চতুর্থ ইনিংসে ২৮২ রান তাড়া করে জয় একেবারেই সহজ কথা নয়, বিশেষত দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাস এবং খেতাবি ফাইনালের চাপের মাঝে। কিন্তু মারক্রাম বোঝালেন তিনি ভিন্ন। তিনি অনন্য। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউডদের গোলাগুলি সামলে 'হোম অফ ক্রিকেটে' এক অনবদ্য শতরান হাঁকালেন মারক্রাম।
Aiden Markram's ton steers the way for South Africa to a historic #WTC25 Final victory 🏆
— ICC (@ICC) June 14, 2025
How the final day unfolded ➡️ https://t.co/BjRy7oF0Sd pic.twitter.com/GZsC1iKddr
১৩৬ রানের মারক্রামের ইনিংসই অস্ট্রেলিয়া ও জয়ের মাঝে ঢাল হয়ে দাঁড়াল। লর্ডসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাঁর এই ইনিংস আরও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তিনি খাতাই খুলতে পারেননি। দুই ইনিংসে শূন্য রানের লজ্জার রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা তো ছিলই। ছিল চাপ, 'চোকার্স' তকমা হাটানোর চাপ। বছর খানেক আগে এমন সময়েই জয়ের দোরগোড়াতে পৌঁছে গিয়েও হারতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ২৯ জুন ব্রিজটাউনে সেই দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়ক ছিলেন মারক্রাম।
ঠিক এক বছর পরে ফের এক খেতাবি ম্যাচে মাঠে নেমে দলের হয়ে অনবদ্য ইনিংস খেললেন এইডেন। এই ইনিংসের জন্য তাঁকে ম্যাচ সেরাও ঘোষণা করা হয়। টানা আটটি টেস্ট ম্যাচ জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ জেতার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার, আজ ৬৯ রানের প্রয়োজন ছিল। হাতে ছিল আট উইকেট। ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে থাকলেও, অজ়িরা তো হার না মানা মনোভাবের জন্যই বিখ্যাত। কামিন্স, স্টার্করা চেষ্টা করলেনও, শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেন। তবে তিন উইকেট হারিয়েও প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।























