Afreen Begum: "আমাদের গণতন্ত্রটাই বিচারাধীন", বললেন আফরিন বেগম | West Bengal Election 2026
এবিপি আনন্দের 'মহাযুদ্ধ' অনুষ্ঠানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এবং বালিগঞ্জ কেন্দ্রের প্রার্থী তথা বামেদের কনিষ্ঠতম প্রার্থী আফরিন বেগম বলেন, "আমাদের গণতন্ত্রটাই বিচারাধীন হয়ে গেছে। আমাদের পশ্চিমবঙ্গে গত ১৫ বছরে আমরা যে খুব সুখে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করতে পেরেছি তা তো নয়, সেখানেও আমরা বিভিন্ন রকমের ঘটনা দেখেছি। গত ১৫ বছরে তৃণমূলের যে সমস্ত অত্যাচার সেগুলোও আমাদের সহ্য করতে হয়েছে।"
"আজ বাঙলার সর্বত্র কেবল ক্ষমতার জন্যে কাড়াকাড়ি চলিতেছে। যার ক্ষমতা আছে—সে ক্ষমতা বজায় রাখিতেই ব্যস্ত। যার ক্ষমতা নাই, সে ক্ষমতা কাড়িবার জন্য বদ্ধপরিকর। উভয় পক্ষই বলিতেছে, “দেশোদ্ধার যদি হয়, তবে আমার দ্বারাই হউক, নয় তো, হইয়া কাজ নাই।" আজ থেকে ঠিক একশো বছর আগে, উনিশশো ছাব্বিশ সালে, মান্দালয় জেলে বসে লিখেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। একশো বছরে, বাংলার রাজনীতির ছবিটা যে এর থেকে একচুলও বদলায়নি, সেটা আমার বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এই দু'হাজার ছাব্বিশে, এই সংঘাতকে আরও তীব্র করেছে, পুলিশ ও প্রশাসনে গণবদলি, আর অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় লক্ষ-লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়া। আজকের এই বিশেষ অনুষ্ঠান মহাযুদ্ধে, সবপক্ষের সব যুক্তিই সমানভাবে থাকবে আপনাদের সামনে। রাজ্য়ের চারটি দলের প্রতিনিধিরা তো আছেনই, তার সঙ্গে আছেন সমাজের নানাক্ষেত্রের কিছু বিশিষ্ট মানুষ, আবার সরাসরি তাঁদের দিকেই প্রশ্নবাণ ছুড়ে দেবেন এই বাংলার কিছু কৃতী ও জনপ্রিয় মানুষ। আমাদের আজকের বিষয়-
''বিরাট বদল এনে পুলিশ আর আমলায়--
বেনজির বাহিনীতে EC ভোট সামলায় ।
এরই মাঝে তালিকায় বাদ বহু লক্ষ!
আস্তিন গুটিয়ে, নামে সব পক্ষ,
শেষমেশ কার হাতে ক্ষমতা বিশুদ্ধ?
কে জিতবে আসন্ন ভোট-মহাযুদ্ধ?''
দেখুন, প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নিয়ে যখন গোটা রাজ্য তোলপাড়, তখন অবধারিতভাবে আমার প্রথম বক্তা সেই মানুষটা, যিনি শুধু রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ছিলেন তাই নয়, তাঁর আমলে নির্বাচন কমিশন একটা যুগান্তকারী প্রতীক পেয়েছিল -- 'আনন্দবাবু।' দুহাজার ছ-সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, IAS দেবাশিস সেন, রাজ্যের মানুষের নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য একটি কাল্পনিক চরিত্রের সৃষ্টি করেন। এখন অবশ্য নির্বাচন ঘিরে আতঙ্ক আর আশঙ্কাই বেশি, কিন্তু তাই বলে ভাববেন না, আনন্দবাবুর সঙ্গে আনন্দও হারিয়ে গেছে। এবিপি আনন্দ সবসময়ে আছে। আজ আমার প্রথম বক্তা, প্রাক্তন IAS, দেবাশিস সেন।






















