Baba Vanga: যুদ্ধ-লকডাউনের আশঙ্কা, মিলে যাচ্ছে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী! আরও বড় সতর্কতা, ২০২৬-এ হতে চলেছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা?
২০২৬-এ হতে চলেছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা? বাবা ভাঙ্গার হাড়হিম করা ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে তুঙ্গে আতঙ্ক!

কলকাতা: বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিতে ফের একবার শিরোনামে উঠে এসেছেন বুলগেরিয়ান জ্যোতিষী বাবা ভাঙ্গা। তিনি বহু বছর আগে মারা গিয়েছেন। বুলগেরিয়ার অন্ধ ভবিষ্যদ্বক্তাকে ঘিরে বহুদিন ধরেই নানা গল্প প্রচলিত।
অনেকেই বিশ্বাস করেন, তিনি নাকি আগেই ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। তাঁর নামে প্রচলিত বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে রয়েছে বিশ্বযুদ্ধ, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, এমনকি বৈশ্বিক সঙ্কটের ইঙ্গিতও। বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা যত বাড়ছে, ততই মানুষের মনে ভেসে উঠছে এক অজানা আশঙ্কা... আবার কি পৃথিবী থমকে যাবে? যুদ্ধের উত্তাপ যদি আরও বাড়ে, তবে কি আবারও দেখা দিতে পারে লকডাউনের মতো কঠোর পরিস্থিতি? আর ঠিক এই সময়েই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে রহস্যময় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গার নাম।
২০২৬ সালে নিয়ে বহু আগেই নাকি বাবা ভাঙ্গা জানিয়েছিলেন ধ্বংসের কথা। চলতি বছর যে বিশ্ববাসীর কাছে বিরাট উদ্বেগের হবে সেকথা তিনি আগেই বলেছিলেন। কথিত আছে, বাবা ভাঙ্গা একসময় সতর্ক করেছিলেন... বিশ্ব আবার এমন এক অস্থিরতার মুখোমুখি হবে, যা মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে World War I-এর সময়কার অন্ধকার স্মৃতির দিকে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই ফের একবার যুদ্ধের পরিস্থিতি চলছে বিশ্বে। সেখানে সবার আগে এখন উঠে এসেছে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার কথা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এক ভয়াবহ সংঘাতের কারণে পৃথিবীর বহু জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক সংকট এবং দৈনন্দিন জীবনের চরম বিপর্যয়।
বাবা ভাঙ্গার অনুগামীরা মনে করেন তার কথা প্রতিটি কথা ফের একবার ফলে যেতে চলেছে। চলতি বছরে ফের একবার সেদিকেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে অনেকেই বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মিল খুঁজে পাচ্ছেন। কারণ বিশ্বজুড়ে এখন একাধিক অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারেও।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হয় বা নতুন সংঘাতে রূপ নেয়, তাহলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তেল ও গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে, এমনকি কিছু জায়গায় সরবরাহ কমেও যেতে পারে। এর ফলে শিল্প, পরিবহন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এই পরিস্থিতি যদি আরও গুরুতর হয়, তাহলে সরকারগুলো জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবতে পারে... এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ডিসক্লেমার : ধর্মীয় বিশ্বাস নিজস্ব। এ ব্যাপারে কোনও মতামত এবিপি লাইভের নেই। এবিপি লাইভ ধর্ম সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।




















