Shani Astrology : শুরু হয়েছে ভয়ঙ্কর কঠিন ১৩৮ দিন ! জিলিপির প্যাঁচের মতো ধরতে পারে সমস্যা, ৪ রাশির নাকানিচোবানি
Shani Astrology News : শনির বিপরীত গতি আর্থিক সমস্যা, সম্পর্কের ঝামেলা, স্বাস্থ্য এবং পেশাগত জীবনে অসন্তোষ নিয়ে আসতে পারে ৪ রাশির জন্য

জ্যোতিষশাস্ত্রে, শনি দেবকে নয়টি গ্রহের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শনি মকর-কুম্ভ রাশির অধিপতি। যখনই শনি গ্রহ তার রাশি পরিবর্তন করে, তখন এর সরাসরি প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে পড়ে। শনি আড়াই বছরে একবার রাশি পরিবর্তন করে। এই পরিবর্তনের সময়ে শনির অবস্থান সব রাশিকেই কম বেশি প্রাভাবিত করে। ১৩ জুলাই শনি বিপরীতমুখী হয়েছে। মীন রাশিতেই উল্টো চরণে হাঁটছেন শনি। যখন কোনও গ্রহ বিপরীতমুখী হয়, তখন কয়েকটি রাশি জীবনের চ্যালেঞ্জ বাড়তে শুরু করে। এবারও শনির বিপরীত গতি আর্থিক সমস্যা, সম্পর্কের ঝামেলা, স্বাস্থ্য এবং পেশাগত জীবনে অসন্তোষ নিয়ে আসতে পারে।
শনির প্রভাবে কয়েকটি রাশির জাতকদের কাজে বিলম্ব সৃষ্টি করতে পারে। বাড়তে পারে মানসিক অস্থিরতা। পুরনো রোগ বা আইনি সমস্যা আবার দেখা দিতে পারে। অপ্রয়োজনীয় খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে। এই সময় জীবনের দিকনির্দেশ সঠিক না হলে খুব মুশকিল। নিজের কাজে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। মনে নানারকম বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যখন শনি মীন রাশিতে থাকে, তখন এই প্রভাব আরও গভীর হয়ে যায়। এই বছর, শনি ১৩৮ দিন ধরে বিপরীত অবস্থানে থাকবে। শনির বিপরীত গতির সবচেয়ে বিপজ্জনক হতে পারে। এর প্রভাব মিথুন, তুলা,সিংহ,মেষ রাশির উপর পড়তে দেখা যাবে ।
এই বছর, শনি ১৩৮ দিন ধরে বিপরীত অবস্থানে থাকবে। শনির বিপরীত গতির সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রভাব মিথুন, তুলা , সিংহ, মেষ রাশির উপর দেখা যাবে । এই রাশির জাতক জাতিকাদের প্রতিদিন পরিষ্কার পোশাক পরে শনি মন্দিরে যাওয়া উচিত। সরিষার তেলের প্রদীপ জ্বালানো উচিত। শনিবার কালো তিল, কালো উড়াদ এবং সরিষার তেল ইত্যাদি দান করলে নেতিবাচক প্রভাব কমে যায় বলে বিশ্বাস। সরিষার তেল ভর্তি পাত্রে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে সেই তেল অভাবীদের দান করা দরকার। নেতিবাচক প্রভাব কমানোর জন্য মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রও জপ করুন। প্রতিদিন মহাদেবকে জল অর্পণ করুন।
ডিসক্লেমার : কোনও রাশির জাতক বা জাতিকার ভাগ্যে কী রয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনো মতামত এবিপি লাইভের নেই। এবিপি লাইভ জ্যোতিষ সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।




















