সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার বা ৩৫ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নতুন বাইকের প্রথম সার্ভিসিং করানো উচিত।
Bike Service Tips : কখন আপনার বাইক সার্ভিসিংয়ের সঠিক সময় ? দেরি করলে হবে বড় ক্ষতি
Auto : বাইকের শব্দেও হতে পারে বড় পরিবর্তন, রাইডেও এতে পড়ে প্রভাব। অনেকেই বাইকে সমস্যা দেখা দিলে তবেই সার্ভিসিং করান, তবে এটা ঠিক নয়।

Auto : বাইকের পারফরম্যান্স দুর্দান্ত হলেও হতে পারে এই সমস্যা। সময়মতো সার্ভিসিং না করালে ধীরে ধীরে খারাপ হতে পারে আপনার বাইক। প্রাথমিকভাবে পার্থক্যটা সামান্য মনে হতে পারে। কিন্তু সার্ভিসিংয়ে দেরি হলে ইঞ্জিনের উপর চাপ বাড়তে থাকে। এর ফলে বাইকের মাইলেজ কমে যেতে পারে। বাইকের শব্দেও হতে পারে বড় পরিবর্তন, রাইডেও এতে পড়ে প্রভাব। অনেকেই বাইকে সমস্যা দেখা দিলে তবেই সার্ভিসিং করান, তবে এটা ঠিক নয়।
এই ভুল করেন অনেকে
ঠিক এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি হয়। সঠিক সময়ে বাইকের সার্ভিসিং করালে তা কেবল এর পারফরম্যান্সই উন্নত করে না, বরং আপনাকে বড় ধরনের খরচ থেকেও বাঁচায়। আসল প্রশ্ন হল, কখন আপনার বাইকের সার্ভিসিং করানো উচিত এবং এটি অবহেলা করলে কী পরিমাণ ক্ষতি হতে পারে। চলুন, এর সঠিক সময় সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
কখন বাইকের সার্ভিসিং করানো উচিত ?
একটি নতুন বাইকের প্রথম সার্ভিসিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার বা ৩৫ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে এটি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সার্ভিসিং যথাক্রমে ৩০০০ থেকে ৪০০০ কিলোমিটার এবং তারপর আবার ৬০০০ কিলোমিটারের আশেপাশে করানো হয়। পরবর্তী সার্ভিসিংয়ের সময় মূলত আপনার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে।
আপনি যদি প্রতিদিন বাইক চালান, তবে প্রতি ২ থেকে ৩ মাস বা প্রতি ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ কিলোমিটার অন্তর সার্ভিসিং করানোই ভাল। যারা কম বাইক চালান, তারা প্রতি ৬ মাস অন্তর সার্ভিসিং করাতে পারেন। সঠিক সময়সূচি বাইকের সার্ভিস বইতে উল্লেখ করা থাকে এবং সেটি অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
সময়মতো সার্ভিসিংয়ের সুবিধা
সার্ভিসিংয়ের সময় ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা হয়, চেন পরিষ্কার ও লুব্রিকেট করা হয় এবং ব্রেক, টায়ারের চাপ ও এয়ার ফিল্টার পরীক্ষা করা হয়। এটি বাইকের আরামদায়ক রাইড নিশ্চিত করে, জ্বালানি সাশ্রয় বাড়ায় এবং অপ্রত্যাশিতভাবে বাইক নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমায়। সময়মতো সার্ভিসিং বাইকের আয়ু বাড়ায় এবং ব্যয়বহুল মেরামত থেকে রক্ষা করে।
সার্ভিসিং এড়িয়ে চললে এই ক্ষতি হবে
যারা সার্ভিসিং করাতে দেরি করেন, তাদের পরবর্তীতে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। পুরনো ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনের অভ্যন্তরীণ ক্ষতি করে। যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হয়, ফলে পারফরম্যান্স কমে যায়। ব্রেক বিকল হওয়ারও ঝুঁকি থাকে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই, সার্ভিসিং শুধু একটি খরচ নয়, বরং এটি আপনার বাইক এবং আপনার নিরাপত্তার জন্য একটি বিনিয়োগ।
Frequently Asked Questions
কখন আমার বাইকের প্রথম সার্ভিসিং করানো উচিত?
প্রতিদিন বাইক চালালে কতদিন পরপর সার্ভিসিং করানো উচিত?
প্রতিদিন বাইক চালালে প্রতি ২ থেকে ৩ মাস বা প্রতি ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ কিলোমিটার অন্তর সার্ভিসিং করানো ভাল।
সময়মতো বাইকের সার্ভিসিং করালে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
এটি বাইকের পারফরম্যান্স উন্নত করে, মাইলেজ বাড়ায়, আরামদায়ক রাইড নিশ্চিত করে এবং অপ্রত্যাশিত মেরামতের খরচ কমায়।
সার্ভিসিং এড়িয়ে চললে বাইকের কী কী ক্ষতি হতে পারে?
ইঞ্জিনের ক্ষতি, যন্ত্রাংশের দ্রুত ক্ষয়, পারফরম্যান্স কমে যাওয়া এবং ব্রেক বিকল হওয়ার মতো ঝুঁকি বেড়ে যায়।






















