Credit Card: শুধু Minimum Due জমা দিলে বাড়বে বিপদ, ক্রেডিট কার্ডের এই ভুলে বাড়তে পারে ঋণের বোঝা
Minimum Due in Credit Card: ক্রেডিট কার্ডের ‘মিনিমাম ডিউ’ হল এমন একটি ন্যূনতম অর্থ, যা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করলে লেট ফি এড়ানো যায় এবং অ্যাকাউন্ট ডিফল্ট হিসেবে চিহ্নিত হয় না।

কলকাতা: মাসের শেষে ক্রেডিট কার্ডের বিল হাতে আসার পর অনেকেই পুরো বকেয়া পরিশোধ করতে না পেরে শুধু ‘মিনিমাম ডিউ’ মিটিয়ে দেন। ধরুন, আপনার মোট বকেয়া ৫০ হাজার টাকা এবং মিনিমাম ডিউ ২ হাজার ৫০০ টাকা। সে ক্ষেত্রে কম টাকা দিয়ে আপাতত চাপ সামলানো সহজ মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এই সিদ্ধান্ত বড় আর্থিক বোঝা তৈরি করতে পারে।
আরও পড়ুন: EPF-এ নমিনি না থাকলে প্রভিডেন্ট ফান্ডে থাকা টাকা পরিবার কীভাবে পাবে?
ক্রেডিট কার্ডের ‘মিনিমাম ডিউ’ হল এমন একটি ন্যূনতম অর্থ, যা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করলে লেট ফি এড়ানো যায় এবং অ্যাকাউন্ট ডিফল্ট হিসেবে চিহ্নিত হয় না। সাধারণত মোট বকেয়ার ৫ থেকে ১০ শতাংশ এই অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়। তবে এই অর্থ পরিশোধ করলেও বাকি টাকা মিটে যায় না। বরং অবশিষ্ট বকেয়ার উপর উচ্চ হারে সুদ ধার্য হতে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র মিনিমাম ডিউ পরিশোধ করলে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া কার্যত একটি লোন পরিণত হয়। যে লোনের সুদের হার সাধারণ পার্সোনাল লোনের থেকেও অনেক বেশি। আর এই টাকা যতদিন না সম্পূর্ণ শোধ হবে, ততদিন সুদ জমতে থাকবে। ফলে প্রতি মাসে টাকা দেওয়ার পরও দেখা যায়, মূল বকেয়া খুব ধীরে কমছে।
এছাড়া অনেকেই ক্রেডিট কার্ডের রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক বা এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ সুবিধার দিকে নজর দিলেও বার্ষিক সুদের হার (APR) সম্পর্কে সচেতন থাকেন না। ফলে, পুরনো বকেয়া থাকা অবস্থায় নতুন কেনাকাটা করলে সেই খরচের উপরও সুদ যোগ হতে পারে। আবার নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে প্রথম দিন থেকেই সুদ এবং অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হয়, যা খরচ আরও বাড়িয়ে দেয়।
এই পরিস্থিতি এড়াতে সম্ভব হলে প্রতি মাসে সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত মিনিমাম ডিউয়ের চেয়ে বেশি অর্থ পরিশোধ করার চেষ্টা করা উচিত। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং পরবর্তী মাসগুলিতে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমানো হলে দ্রুত বকেয়া শোধ করা সম্ভব হবে। এতে সুদের বোঝাও কমবে এবং ক্রেডিট স্কোরও ভালো থাকবে।























