Income Tax Return: ৩১ জুলাই শেষ তারিখ, আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে এই ভুল হলেই দেরিতে আসবে আপনার রিফান্ড
IT Return: রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে প্রথমেই প্যান, আধার, নাম, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ই-মেল আইডি সঠিক রয়েছে কি না তা মিলিয়ে নিতে হবে। কোনও ভুল হলে কিন্তু দেরি হবে রিফান্ড পেতেই।

কলকাতা: আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) দাখিল করার শেষ সময় জুলাই মাসের ৩১ তারিখ। এই সময় যতই এগিয়ে আসছে রিটার্ন দাখিল করার ব্যস্ততা ততই বাড়ছে করদাতাদের মধ্যে। তবে তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন জমা করা, একদম নয়। বলছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরাই। তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে কোনও ভুল হলে কিন্তু দেরি হবে রিফান্ড পেতেই। তাই রিটার্ন দাখিল করার আগে কিছু বিষয় ভাল করে যাচাই করে নেওয়া দরকার।
আরও পড়ুন: তৃণমূল আমলে অত্যাচারের অভিযোগ, হাতের কাছে পেয়ে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মার তৃণমূল নেত্রীকে
আয়কর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ জুলাই পর্যন্ত ৪ কোটিরও বেশি আইটিআর জমা পড়েছে। এখনও যাঁরা রিটার্ন জমা দেননি, তাঁদের দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার আবেদন জানিয়েছে দফতর।
রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে প্রথমেই প্যান, আধার, নাম, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ই-মেল আইডি সঠিক রয়েছে কি না তা মিলিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি রিফান্ড পাওয়ার জন্য যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি প্রি-ভ্যালিডেটেড কি না এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফএসসি কোড ঠিক আছে কি না তাও নিশ্চিত করতে হবে।
ফর্ম ১৬, ফর্ম ২৬এএস, অ্যানুয়াল ইনফরমেশন স্টেটমেন্ট (AIS) এবং ট্যাক্সপেয়ার ইনফরমেশন সামারি (TIS)-এর সঙ্গে আইটিআরে উল্লেখ করা আয়ের তথ্য মিলিয়ে দেখা জরুরি। বেতনের পাশাপাশি সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদ, স্থায়ী আমানতের সুদ, লভ্যাংশ, বাড়ি ভাড়ার আয়, পেনশন, ফ্রিল্যান্স বা কনসালটেন্সির আয়, শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা সম্পত্তি বিক্রির মূলধনী লাভ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল ডিজিটাল সম্পদ থেকে আয়ের তথ্যও উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া আয়ের উৎস অনুযায়ী সঠিক আইটিআর ফর্ম নির্বাচন করতে হবে। ভুল ফর্মে রিটার্ন জমা দিলে তা ত্রুটিপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে। নির্বাচিত কর ব্যবস্থার আওতায় প্রযোজ্য করছাড়, স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম, এনপিএসে বিনিয়োগ, গৃহঋণের সুবিধা ও অনুদানের মতো ছাড়ের দাবিও সঠিকভাবে করতে হবে। বিদেশি সম্পদ বা বিদেশে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলে তার তথ্যও জানাতে হবে।
রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে টিডিএস, অগ্রিম কর বা স্ব-মূল্যায়ন করের তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ হয়েছে কি না তা যাচাই করুন। মূলধনী লাভ বা ক্ষতির হিসাবও মিলিয়ে নেওয়া জরুরি। সবশেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার পর আধার ওটিপি, নেট ব্যাঙ্কিং বা অন্য স্বীকৃত পদ্ধতিতে ই-ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করতে হবে। ই-ভেরিফিকেশন সফল না হলে আইটিআর জমা সম্পূর্ণ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে না।























